শিক্ষাঙ্গন – BBangla.net https://bbangla.net বাঙালীর কথা বলে Mon, 08 Dec 2025 16:05:34 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.0 https://bbangla.net/wp-content/uploads/2024/09/cropped-Fev-bbangla-32x32.png শিক্ষাঙ্গন – BBangla.net https://bbangla.net 32 32 বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার: প্রগতিশীল ছাত্রদের ছাত্রত্ব বাতিলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অধ্যাপকদের জরুরি আবেদন https://bbangla.net/2025/12/08/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2/ https://bbangla.net/2025/12/08/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2/#respond Mon, 08 Dec 2025 16:05:34 +0000 https://bbangla.net/?p=4120 বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার ছায়া নেমেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রগতিশীল, মুক্তিযুদ্ধপন্থী মূল্যবোধের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ ছাত্রদের ছাত্রত্ব এবং শিক্ষাগত সার্টিফিকেট অযথা বাতিল করা হয়েছে—যা কোনো আইনি প্রক্রিয়া বা যথেষ্ট প্রমাণ ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। এই অসাংবিধানিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী খ্যাতনামা অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদদের এক দল জরুরি আবেদন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে। আবেদনপত্রে বলা হয়েছে, এই বাতিলকরণগুলো শুধুমাত্র ছাত্রদের রাজনৈতিক পরিচয় ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে করা হয়েছে, যা উচ্চশিক্ষার নৈতিক ভিত্তিকে ক্ষুণ্ণ করছে। গ্লোবাল অ্যালায়েন্স অ্যাগেইনস্ট অ্যাট্রসিটি অ্যান্ড ভায়োলেন্স অ্যাগেইনস্ট হিউম্যানিটির (GA3VH) মাধ্যমে জারি করা এই চিঠিতে স্বাক্ষরিত হয়েছে ১১ জন বিশিষ্ট অধ্যাপকের, যাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ, ভারত, কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাবিদ। আবেদনটি ৫ ডিসেম্বর তারিখে ড. ইউনূসের কাছে পাঠানো হয়েছে।ছাত্রদের অধিকার লঙ্ঘন: সংবিধানের অধ্যায়গুলোর প্রতি অবজ্ঞাআবেদনকারীদের মতে, এই ঘটনাগুলো বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক নিয়মকানুনের সরাসরি লঙ্ঘন।

বিশেষ করে—ধারা ২৭: আইনের সামনে সমতা।

ধারা ৩১: আইনের সুরক্ষা এবং ন্যায়পরায়ণ প্রক্রিয়ার অধিকার।

ধারা ৩৮: সংঘ গঠনের স্বাধীনতা।

“এই ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে অকাদেমিক ফাঁদকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার প্রয়াস,” আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। “এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়, যা ছাত্রদের সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা এবং গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণকে দমিয়ে দেয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অরাজনৈতিক, নিরাপদ এবং বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে উন্মুক্ত স্থান হিসেবে রক্ষা করা উচিত—কোনো বিশ্বাসের জন্য শাস্তি দেওয়ার জায়গা নয়।”আবেদনকারীরা জানিয়েছেন, এই বাতিলকরণগুলোতে প্রমাণিত হয়েছে যে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছাত্ররা অসামান্যভাবে লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। এটি শুধু ব্যক্তিগত ক্ষতি নয়, বরং বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বিশ্বমান্যতা এবং নৈতিক মর্যাদাকে হুমকির মুখে ফেলছে।চার দফা দাবি: ন্যায়ের পক্ষে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের আহ্বান আবেদনপত্রে চারটি সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরা হয়েছে: তাৎক্ষণিক পুনর্বহাল: রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে ছাত্রত্ব বা সার্টিফিকেট বাতিলকৃত সকল ছাত্রের অবিলম্বে পুনর্বাসন।স্বচ্ছ তদন্ত: প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং উদ্দেশ্যমূলক তদন্তের জন্য স্বাধীন, নিরপেক্ষ কমিশন গঠন।

প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা: একাডেমিক শাস্তিকে রাজনৈতিক বৈষম্য বা চাপের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার রোধে প্রতিষ্ঠানিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সরকারি ঘোষণা: একাডেমিক স্বাধীনতা, সাংবিধানিক অধিকার এবং সকল ছাত্রের প্রতি সমান আচরণের প্রতি সরকার ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিশ্রুতির সার্বজনীন পুনরাবৃত্তি।

“আমরা একাডেমিক অখণ্ডতার রক্ষক হিসেবে আমাদের ছাত্রদের অধিকার ও মর্যাদার পক্ষে কথা বলার দায়িত্ব পালন করছি,” আবেদনের শেষে বলা হয়েছে। “উচ্চশিক্ষায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা, নৈতিক কর্তৃত্ব এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতি রক্ষার জন্য অপরিহার্য।”বিশ্বব্যাপী স্বাক্ষর: শিক্ষাবিদদের ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠআবেদনের স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন—প্রফ. ড. সৈয়দ সখাবাত হোসেন, সাবেক উপাচার্য, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ড. এম. আওয়াল, সাবেক উপাচার্য, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বর্তমানে কানাডায় অবস্থানরত)।প্রফ. অশোক ভট্টাচার্য, জাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, ভারত।ড. মৃদুল বোস, জাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, ভারত।ড. মোজাম্মেল খান, শেরিডান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, কানাডা।ড. শিশির ভট্টাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।প্রফ. ড. শামসুদ্দিন ইলিয়াস, নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ইউনিভার্সিটি, যুক্তরাষ্ট্র।এবং অন্যান্যরা, যার মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক বিজ্ঞানের অধ্যাপক, মানবাধিকার কর্মী এবং সাবেক সরকারি কর্মকর্তা।

GA3VH এর চেয়ারপারসন ইশরাত আলম বলেন, “এই আবেদনটি শুধু ছাত্রদের নয়, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য একটি আহ্বান। আমরা বিশ্বাস করি, ড. ইউনূসের নেতৃত্বে এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে শিক্ষা ব্যবস্থা ন্যায়ের আলোয় উদ্ভাসিত হয়।”এই ঘটনা বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক বছরের পথচলায় শিক্ষা খাতের চ্যালেঞ্জগুলোকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। বিশ্বব্যাপী অধ্যাপক সম্প্রদায়ের এই ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ কতটা প্রভাব ফেলবে, তা দেখার বিষয়। সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

]]>
https://bbangla.net/2025/12/08/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2/feed/ 0
মধ্যরাতেও শিক্ষা ভবনের সামনে সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের অবস্থান https://bbangla.net/2025/12/07/%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8/ https://bbangla.net/2025/12/07/%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8/#respond Sun, 07 Dec 2025 21:58:50 +0000 https://bbangla.net/?p=4107 মধ্যরাত পেরিয়েও শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশের দাবিতে তারা সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন রাতেও অব্যাহত রেখেছে। আন্দোলনকারীরা জানান, এক দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা এখান থেকে সরে যাবেন না এবং তাদের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

এর আগে সকাল থেকেই সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা নিজ ক্যাম্পাস থেকে শিক্ষা ভবন মোড়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে আসেন। দুপুর ১টার দিকে তারা শিক্ষা ভবনের সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থান নেন। বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে তারা হাইকোর্ট মোড় অবরোধ করেন।
এরপর সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনের পর শিক্ষার্থীরা হাইকোর্ট মোড় থেকে অবরোধ তুলে নেন। তবে অবরোধ করে রাখেন শিক্ষা ভবনের সামনের সড়ক।

সংবাদ সম্মেলন থেকে জানানো হয়, সাত কলেজ নিয়ে কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ ঘোষণার আগ পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন শিক্ষার্থীরা।
সংবাদ সম্মেলনে সাত কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর আন্দোলনের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নাইম হাওলাদার বলেন, ‘গত ১৫ মাস আমরা আন্দোলন করে ক্লান্ত হয়ে গেছি। অধ্যাদেশ না নিয়ে আমরা রাজপথ ছাড়ছি না। গত ৩ অক্টোবর আমরা এক দফা কর্মসূচি ঘোষণা দিয়েছি। আজ সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর ৭টি কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা আলাদা পদযাত্রা করে শিক্ষা ভবনে অবস্থান নিয়েছে। পরে আমরা হাইকোর্ট মোড় অবরোধ করি। বিকাল থেকে আমাদের কর্মসূচি চলমান রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে এখন হাইকোর্ট মোড় ছেড়ে দিচ্ছি। তবে একদফা আদায় না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষা ভবনের সামনে সারা রাত অবস্থান করবো। আগামীকাল সকাল থেকে অন্যান্য শিক্ষার্থী অংশ নেবেন। অধ্যাদেশ না নিয়ে কেউ বাসায় ফিরবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘অনেকেরই এখন ফাইনাল পরীক্ষা চলছে। পরীক্ষার মধ্যেও তারা এখানে জড়ো হয়েছেন। কাল চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা আছে। আমরা সেভাবে আমাদের কর্মসূচি পরিকল্পনা করেছি। যেন সবাই পরীক্ষার মাঝেও আন্দোলনে অংশ নিতে পারেন।’
শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নাইম হাওলাদার আরও বলেন, ‘অধ্যাদেশ ছাড়া কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কোনও অগ্রগতি নেই। কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি হলেও শিক্ষার্থীরা এখনও ক্লাসরুমে ফিরে যেতে পারেননি। প্রশাসনের সবাইকে জানাতে চাই, শিক্ষার্থীদের আকুতি আপনারা শুনুন, তাদের ক্লাসরুমে ফিরিয়ে নিন। রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে আমাদের পরিচয় নিশ্চিত করুন।’

]]>
https://bbangla.net/2025/12/07/%e0%a6%ae%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87%e0%a6%93-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be-%e0%a6%ad%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8/feed/ 0
বার্ষিক পরীক্ষার সময় স্কুলে ‘শাটডাউন’: পদক্ষেপ না নিলে শিক্ষার্থীদের ক্ষতি বাড়বে https://bbangla.net/2025/12/04/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b8%e0%a7%8d/ https://bbangla.net/2025/12/04/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b8%e0%a7%8d/#respond Thu, 04 Dec 2025 07:04:41 +0000 https://bbangla.net/?p=4088
বার্ষিক পরীক্ষা দিতে বিদ্যালয়ে এসেছিল দুই শিক্ষার্থী। শিক্ষকদের কর্মবিরতির কারণে পরীক্ষা হবে না জেনে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে তারা। গত সোমবার দুপুরে যশোর জিলা স্কুলেছবি: প্রথম আলো

তিন দফা দাবি আদায়ে এবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের দুই অংশ মিলে আজ বৃহস্পতিবার থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ বা তালাবদ্ধ কর্মসূচি শুরু করেছেন। এর ফলে আজ চতুর্থ দিনের মতো দেশের অনেক বিদ্যালয়ে বার্ষিক পরীক্ষা হয়নি। বিভিন্ন বিদ্যালয়ে শিক্ষকেরা নিজেরাই ফটকে তালা লাগিয়েছেন। কোথাও কোথাও পরীক্ষা হলেও তা অনেকটা ‘আধামাধা’ভাবে হচ্ছে; কিন্তু এভাবে পরীক্ষা হলেও উত্তরপত্র মূল্যায়ন সঠিকভাবে হবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চলমান তৃতীয় প্রান্তিক মূল্যায়ন বা বার্ষিক পরীক্ষা বড় রকমের সমস্যায় পড়ল।

এমন পরিস্থিতিতে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ আন্দোলনকারী শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনায় না বসে উল্টো শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে চাকরি আইন এবং আচরণ বিধিমালা ও ফৌজদারি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের হুমকি দিচ্ছে। এরই মধ্যে একাধিক শিক্ষক নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এ রকম হুমকিতে শিক্ষকেরা আরও বেশি ক্ষুব্ধ হচ্ছেন।

তবে বার্ষিক পরীক্ষার মধ্যে কর্মবিরতিতে সন্তানের পড়াশোনার ক্ষতিতে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, বার্ষিক পরীক্ষার এ সময়ে এমন পরিস্থিতিতে আসল ক্ষতিটা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। তাই শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরামর্শ—প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগের উচিত দ্রুত শিক্ষকদের সঙ্গে বসে তাঁদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা। আলোচনার মাধ্যমেই এর সমাধান আসতে পারে। না হলে কার্যত শিক্ষার্থীদের ক্ষতি আরও বাড়বে।

প্রাথমিক শিক্ষকদের তিন দফা দাবি হলো সহকারী শিক্ষকদের জাতীয় বেতন স্কেল আপাতত ১১তম গ্রেড দেওয়া, চাকরির ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির জটিলতার নিরসন এবং সহকারী শিক্ষক থেকে প্রধান শিক্ষক পদে শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতি দেওয়া। বর্তমানে সহকারী শিক্ষকেরা ১৩তম গ্রেডে আছেন (শুরুর মূল বেতন ১১ হাজার টাকা)।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকেরা পাঠদান করেন। সারা দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ৬৫ হাজার ৫৬৯টি। এসব বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা এক কোটির বেশি। শিক্ষক রয়েছেন পৌনে চার লাখের বেশি। সহকারী শিক্ষকের অনুমোদিত পদ ৩ লাখ ৬৯ হাজার ২১৬টি, বর্তমানে কর্মরত ৩ লাখ ৫২ হাজার ২০৮ জন।

গত ২৭ নভেম্বর থেকে তিন দফা দাবিতে কর্মবিরতি শুরু করে ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’। গত সোমবার তারা বার্ষিক পরীক্ষা বর্জন কর্মসূচিও শুরু করে। এই পরিষদ গতকাল বুধবার থেকে বিদ্যালয়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি শুরু করেছে।
প্রায় একই দাবিতে সহকারী শিক্ষকদের আরেকটি সংগঠন ‘সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের’ ব্যানারে ২৩ থেকে ২৭ নভেম্বর কর্মবিরতি পালন করেছিল।

ঐক্য পরিষদও আজ বৃহস্পতিবার থেকে বিদ্যালয়ে ‘তালাবদ্ধ’ কর্মসূচি শুরু করেছে। দুই পরিষদের নেতারা সভা করে এখন যৌথভাবে এ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’–এর একজন আহ্বায়ক মোহাম্মদ শামছুদ্দিন জানান, আজ সকালে নিজের নোয়াখালী সদর উপজেলায় কৃপালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কলাপসিবল গেটে তালা লাগাতে দেখা যায়। এই শিক্ষক নেতা প্রথম আলোকে বলেন, সারা দেশের সরকারি বিদ্যালয়েই তাঁদের ‘শাটডাউন’ কর্মসূচি চলছে।

আজ বেলা পৌনে ১১টার দিকে রাজধানীর বড় মগবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, নিচতলায় কয়েকজন অভিভাবক বসা। শিক্ষকদের বসার কক্ষে সহকারী শিক্ষকেরা বসা। একজন সহকারী শিক্ষক বলেন, সহকারী শিক্ষকেরা পরীক্ষা নিচ্ছেন না। তবে প্রধান শিক্ষক নিজে এবং সাবেক একজন শিক্ষক ও অভিভাবকদের সহায়তায় পরীক্ষা নিচ্ছেন। সেখান থেকে দোতলায় একটি কক্ষে গিয়ে দেখা গেল শিশুরা পরীক্ষা দিচ্ছে। ওই সময়ে কক্ষে কোনো শিক্ষক দেখা যায়নি।

প্রধান শিক্ষক সামসুন্নাহার বেগম জানান, তাঁদের বিদ্যালয়ে রুটিন অনুযায়ী পরীক্ষা হচ্ছে।

]]>
https://bbangla.net/2025/12/04/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b8%e0%a7%8d/feed/ 0
মার্চের আগে সব বই পাবে না ১ কোটির বেশি শিক্ষার্থী! https://bbangla.net/2025/11/21/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a7%a7/ https://bbangla.net/2025/11/21/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a7%a7/#respond Fri, 21 Nov 2025 18:50:26 +0000 https://bbangla.net/?p=4050 বছর জুড়ে প্রস্তুতি নেওয়ার পরও সময়মতো শিক্ষার্থীদের হাতে পাঠ্যবই তুলে দেওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রায় সাড়ে ৩০ কোটি পাঠ্যবই ছাপা হবে, যার মধ্যে মাধ্যমিকের বই ২১ কোটি ৯০ লাখ। নবম শ্রেণির বইয়ের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৬ কোটি। গত অক্টোবর মাসের মধ্যে এসব বই ছাপানো শেষ করার টার্গেট ছিল জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি)। কিন্তু এখন পর্যন্ত নবম শ্রেণির মাত্র ২০ লাখ বই ছাপা হয়েছে। ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির সাড়ে ১৪ কোটি বই ছাপা এখনো শুরু হয়নি। এ কারণে আগামী মার্চ মাসের আগে, অর্থাৎ শিক্ষাবর্ষের দুই মাস সব বই না পেয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হতে যাচ্ছে প্রায় ১ কোটির বেশি শিক্ষার্থী।

গত বছর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের কারণে দেরিতে বই ছাপানোর বিষয়টি অনেকে স্বাভাবিকভাবে নিয়েছিল। কিন্তু এবার পাঠ্যবই বিলম্বে ছাপানোর বিষয়ে কোনো অজুহাত কেউ মানতে রাজি নয়।  বিলম্বের জন্য ছাপাখানার মালিকরা দায়ী করছেন এনসিটিবির কর্মকর্তাদের গাফিলতিকে। অন্যদিকে এনসিটিবির কর্মকর্তারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপরে দায় চাপিয়ে বলেন, পাঠ্যবই ছাপায় বিলম্বে এনসিটিবির কোনো দায় নেই। শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো কারণ ছাড়াই মাধ্যমিকের ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বইয়ের ক্রয়াদেশে অনুমোদন না দিয়ে টেন্ডার বাতিল করেছিল। এ কারণেই জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ভাঙতেই পুনরায় টেন্ডার দেওয়া হয়েছিল। যদিও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রিটেন্ডারেও সিন্ডিকেট ভাঙেনি। উলটো বিশৃঙ্খলা বেড়েছে। অনেক ছাপাখানা রিটেন্ডারে প্রাক্কলিত দরের চেয়ে অনেক কম দরে কাজ নিয়েছে। এতে নিম্নমানের কাগজে পাঠ্যবই ছাপানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

জানা গেছে—ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির বইয়ের প্রতি ফর্মায় সরকারের বাজেট ছিল ৩ টাকা ১৫ পয়সা। বাজারমূল্যে প্রতি ফর্মা ছাপাতে ন্যূনতম খরচ ২ টাকা ৪০ পয়সা। অথচ কয়েকটি প্রেস সিন্ডিকেট করে ১ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ২ টাকা ৯ পয়সা পর্যন্ত রেট দিয়ে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়েছে। পুনঃদরপত্রে আনন্দ প্রিন্টার্সের মালিক রব্বানী জব্বার এবং মাস্টার সিমেক্স পেপার লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী মো. কবিরের সিন্ডিকেট সদস্যরা এই কাজটি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। রব্বানী-কবিরের প্রতিষ্ঠানের নিম্নমানের কাগজে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ছাপানোর বিষয়টি ইন্সপেকশন প্রতিষ্ঠানের ল্যাব টেস্ট ও তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল।

জানা গেছে, এবার প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের পাঠ্যবই ছাপানোর কাজ করছে ১০৩টি ছাপাখানা। ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির সাড়ে ১৪ কোটি বইয়ের মধ্যে অর্ধেকের বেশি কাজ পেয়েছে রব্বানী ও কবিরের প্রতিষ্ঠান।

জানা গেছে, বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনা মূল্যের পাঠ্যবই তুলে দিতে গত এপ্রিল মাসে কাজ শুরু করে এনসিটিবি। মে-জুলাইয়ে টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। লক্ষ্য ছিল অক্টোবরের মধ্যে ছাপা শেষ করে ডিসেম্বরে সব উপজেলায় পাঠ্যবই পৌঁছে দেওয়া। তবে সেপ্টেম্বরের দিকে সে লক্ষ্যে ছেদ পড়ে। সরকারের ক্রয়-সংক্রান্ত কমিটি ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের ক্রয়াদেশে অনুমোদন না দেওয়ায় টেন্ডার বাতিল হয়ে যায়। রিটেন্ডার বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ক্রয়াদেশ পেতে সময় লেগেছে বাড়তি আড়াই মাস। পাশাপাশি নবম শ্রেণির প্রায় ৬ কোটি বই ছাপার ক্রয়াদেশের অনুমোদন দিতেও দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা হয়। এতে পাঠ্যবই ছাপায় পিছিয়ে পড়ে এনসিটিবি। নবম শ্রেণির বইয়ের নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড (নোয়া) জারি হয়েছে ২৭ অক্টোবর। নোয়ার পর ছাপাখানা মালিকরা চুক্তির জন্য ২৮ দিন সময় পান। নির্ধারিত সময়ে চুক্তি করলেও ছাপানো শুরু করতে ডিসেম্বর যাবে। এরপর ছাপানোর জন্য ৭০ দিন সময় পাবে। এতে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাস তারা ছাপানোর জন্য পাবেন। এছাড়াও বই বাঁধাই, ট্রাকে জেলা-উপজেলায় পৌঁছে দিতেও অনেক সময় লেগে যায়। অন্যদিকে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম পর্যন্ত তিন শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড (নোয়া) জারি হয়েছে গত বৃহস্পতিবার। চুক্তি কার্যক্রম চলবে আগামী ২৮ দিন। এরপর ছাপা শুরু হবে।

এনসিটিবির অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলাকেও এ সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন অনেকে। অভিযোগ আছে, বোর্ডে এখনো আগের সরকারের সুবিধাভোগীরা সক্রিয়। ছাত্রদল এক বিবৃতিতে এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) ড. রিয়াদ চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রবিউল কবীর চৌধুরীর অপসারণ দাবি করেছে। তারা অভিযোগ করেছে, এই কর্মকর্তারা বিগত সরকারের ঘনিষ্ঠ এবং সিন্ডিকেটের স্বার্থ রক্ষা করছেন।

প্রাথমিকের ৩০ ভাগ কাগজ নিম্নমানের :এনসিটিবি বেসরকারি ‘তৃতীয় পক্ষের’ মাধ্যমে পরিদর্শন করালেও প্রতিবারই পাঠ্যবইয়ের মান নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য নিম্নমানের কাগজে প্রাথমিকের ৩০ ভাগ পাঠ্যবই ছাপানো হয়েছে বলে জানা গেছে। বইয়ের উত্পাদন থেকে সরবরাহ পর্যন্ত সব কাজ তদারকি করে প্রি-ডিস্ট্রিবিউশন এজেন্ট (পিডিআই)। অন্যদিকে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে বই সরবরাহের পর, ঐসব বইয়ের মান যাচাইয়ের তদারকি করে পিএলআই এজেন্ট। প্রাথমিকের পিডিআইয়ের কাজ করছে ইনফিনিটি সার্ভে অ্যান্ড ইন্সপেকশন (বিডি)। এর মালিক মো. মনিরের বিরুদ্ধে ছাপাখানার মালিকদের চাপ দিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের কাগজকে ভালো মানের কাগজের সার্টিফিকেট দিতে প্রত্যেক ছাপাখানার মালিকের কাছ থেকে ৩ থেকে ১০ লাখ টাকা করে নিচ্ছেন। জনতা প্রেসের একজন কর্মকর্তা বলেন, ইন্সপেকশন কোম্পানিকে তারা ২ লাখ দিয়েছেন। আরো ৫ লাখ টাকা দাবি করেছে। টাকা না দিলে কাগজের অনুমোদন আটকে রাখা হচ্ছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে ইনফিনিটি সার্ভে অ্যান্ড ইন্সপেকশন (বিডি)-এর মালিক মো. মনির ইত্তেফাককে বলেন, ‘জনতা প্রেসের স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম কাজলসহ প্রায় ২০টি ছাপাখানার মালিক আমাকে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেছেন, চা খাওয়ার দাওয়াত দিয়েছেন। কিন্তু আমি কারো প্রস্তাব গ্রহণ করিনি। কাগজের মানে কোনো আপস করা হচ্ছে না।

]]>
https://bbangla.net/2025/11/21/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%ac-%e0%a6%ac%e0%a6%87-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a7%a7/feed/ 0
প্রাথমিক শিক্ষকদের কর্মবিরতি শুরু, ৬৫ হাজার বিদ্যালয়ে ক্লাস বন্ধ https://bbangla.net/2025/11/09/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%ac/ https://bbangla.net/2025/11/09/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%ac/#respond Sun, 09 Nov 2025 04:28:10 +0000 https://bbangla.net/?p=4022

এর আগে শনিবার (৮ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটাতে সরাসরি দশম গ্রেডের দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।

 

বিকেলে আন্দোলনরত প্রাথমিক শিক্ষকদের শাহবাগ অভিমুখী পদযাত্রায় বাধা দেয় পুলিশ। এতে শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।
 
পরে সন্ধ্যায় এ কর্মবিরতির ঘোষণা করে শিক্ষকদের চারটি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত মোর্চা ‘প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদ’।
 
বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশ বর্বর হামলা চালিয়েছে। এবং প্রাথমিক শিক্ষক দাবি বাস্তবায়ন পরিষদের সমন্বয়ক মো. মাহবুবুর রহমানসহ ৫ জনকে আটক করা হয়েছে।’
 
তিনি আরও বলেন, ‘দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত সারাদেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মবিরতি চলবে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচিও চলমান থাকবে।’
 
শিক্ষকদের তিন দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—
 
১️. সহকারী শিক্ষকদের দশম গ্রেডে বেতন প্রদান।
 
২. উচ্চতর গ্রেডের জটিলতার স্থায়ী সমাধান।
 
৩️. সহকারী শিক্ষকদের শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির নিশ্চয়তা।
 
 
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৭টি এবং এসব বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষক সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৮৪ হাজার। ফলে কর্মবিরতিতে আজ থেকেই এসব বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে
]]>
https://bbangla.net/2025/11/09/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a6%95%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%ac/feed/ 0
মাধ্যমিকে ৯৯ শতাংশ পাঠ্যবই ছাপা বাকি, বছরের শুরুতে এবারও বই পাবে না শিক্ষার্থীরা https://bbangla.net/2025/11/05/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a7%af%e0%a7%af-%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a7%8d%e0%a6%af/ https://bbangla.net/2025/11/05/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a7%af%e0%a7%af-%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond Wed, 05 Nov 2025 13:31:27 +0000 https://bbangla.net/?p=4005

চলতি বছরের মত আগামী বছরেও পাঠ্যবই নিয়ে বিপাকে পড়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। বছরের শেষ প্রান্তে এসেও মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্যবইয়ের মুদ্রণের কাজ সেভাবে শুরুই করতে পারেনি। সে কারণে আগামী বছরের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়া নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এনসিটিবি কর্মকর্তারা জানান, নভেম্বরের শুরুর সময় এসে এখন পর্যন্ত মাধ্যমিকের ১ শতাংশ পাঠ্যবই ছাপানো হয়েছে। অনেক ছাপাখানা এখন পর্যন্ত কাজ পেয়েও চুক্তি করেনি। ফলে নির্ধারিত সময়ে এবারও পাঠ্যবই মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হবে না। এ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা মার্চ নাগাদ বই পেতে পারে।
মঙ্গলবার সরেজমিন এনসিটিবি ভবনে ছাপাখানা মালিকদের আনাগোনা দেখা গেছে। তারা বলছেন, পুনঃদরপত্র, নানা শর্ত বই ছাপার কাজকে ধীরগতি করেছে। এমন চলতে থাকলে মার্চ-এপ্রিলে শিক্ষার্থীরা বই পাবে কী না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে তাদেরও। এদিন কিছু প্রেস মালিককে চুক্তি করতে দেখা যায়। তারা জানান, ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই মুদ্রণ ও বিতরণ কার্যক্রমে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও মাধ্যমিক পর্যায়ে কাজের অগ্রগতি মোটেও সন্তোষজনক নয়। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অগ্রগতি আশাব্যঞ্জক।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) সূত্র জানায়, মাধ্যমিকের জন্য মোট ২১ কোটি ৪৩ লাখ ৩০ হাজার ৩০০ কপি বই ছাপানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে নবম শ্রেণির বইয়ের সংখ্যা ৫ কোটি ৭০ লাখ ৬৮ হাজার ২৮ কপি, যা ২৩৪টি লটে ভাগ করা হয়েছে। চুক্তির পর ৭০ দিনের মধ্যে এই বই ছাপা শেষ করার সময়সীমা দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৫১ লাখ ৭৪ হাজার ফর্মা ছাপানো হয়েছে। আর বাইন্ডিং (বাঁধানো) সম্পন্ন হয়েছে মাত্র ২ লাখ ৫৪ হাজার কপি। অর্থাৎ মাত্র এক শতাংশ। বর্তমানে ২২১টি লটে কাজ চলছে, ১৩টি লট নন-রেসপনসিভ থাকায় পুনঃদরপত্রে পাঠানো হচ্ছে।
এনসিটিবি জানায়, নবম শ্রেণির বইয়ের নোটিফিকেশন অব অ্যাওয়ার্ড (নোয়া) জারি হয়েছে ২৭ অক্টোবর। নোয়ার পর ছাপাখানা মালিকরা চুক্তির জন্য ২৮ দিন সময় পান। নির্ধারিত সময়ে চুক্তি করলেও ছাপানো শুরু করতে ডিসেম্বর যাবে। এরপর ছাপানোর জন্য এনসিটিবি আরও ৫০ দিন সময় দিয়েছে তাদের। এতে জানুয়ারি মাস তারা ছাপানোর জন্য পাবেন। এছাড়াও বই বাঁধায়, ট্রাকে জেলা-উপজেলায় পৌঁছে দিতেও অনেক সময় লেগে যায়। অন্যদিকে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম পর্যন্ত তিন শ্রেণির পাঠ্যবই ছাপার কার্যক্রম শুরু হয়নি এখনো।

]]>
https://bbangla.net/2025/11/05/%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a7%af%e0%a7%af-%e0%a6%b6%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/ 0
চেকপোস্ট বসিয়ে মুঠোফোনে তল্লাশি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ এক শিক্ষার্থীর https://bbangla.net/2025/10/27/%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%a0%e0%a7%8b%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87/ https://bbangla.net/2025/10/27/%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%a0%e0%a7%8b%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87/#respond Mon, 27 Oct 2025 18:38:02 +0000 https://bbangla.net/?p=3951

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে মুঠোফোন চেক করে ব৵ক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের (সিএসই) শিক্ষার্থী আবির হাসান। আজ সোমবার দুপুরের দিকে প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন তিনি।

আবির হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে উমামা ফাতেমার নেতৃত্বাধীন স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের সদস্য প্রার্থী ছিলেন। তিনি সিএসইর ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র।

এ বিষয়ে প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা ফোন চেক করেছেন, এমন অভিযোগ করেছেন আবির। তাঁরা ফোন চেক করতে পারেন কি না এবং এর প্রতিকার চেয়ে আবেদন করেছেন তিনি।

প্রক্টর আরও বলেন, ‘এটি সত্য কি না, কোন পর্যায়ে হয়েছে, কেন করা হয়েছে, তাঁর সম্মতি ছিল কি না—এসব যাচাই করতে আমি একটি তথ্য অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছি। সেই কমিটিতে দুজন সহকারী প্রক্টর আছেন, পাশাপাশি অভিযোগকারীর প্রতিনিধি হিসেবে একজন ছাত্র প্রতিনিধি রাখা হয়েছে।’

অভিযোগকারী আবির হাসান সাংবাদিকদের বলেন, গত শনিবার রাতে শাহবাগ চেকপোস্ট দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের সময় তাঁর মুঠোফোন তল্লাশি করা হয়। তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্ববিদ্যালয়েরই দুজন সহকারী প্রক্টর (শিক্ষক) আধা ঘণ্টা ধরে আমার ফোন চেক করেছেন। কাউকে উলঙ্গ করা আর ফোন চেক করা একই কথা। এটি স্পষ্টভাবে আইনের লঙ্ঘন। যে দুজন আমার ফোন চেক করেছেন…তাঁরা যদি ভুল স্বীকার করে বিবৃতি না দেন, তাহলে দেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী আমি তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

আবির হাসান আরও বলেন, ‘আমার কোনো সংগঠন নেই, কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ও নেই। আমি একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে গোপনীয়তার অধিকারের সুরক্ষা চাই।’

]]>
https://bbangla.net/2025/10/27/%e0%a6%9a%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a6%aa%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%a0%e0%a7%8b%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87/feed/ 0
এবার আন্দোলনে সরকারি কলেজের শিক্ষকরা https://bbangla.net/2025/10/15/%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%87/ https://bbangla.net/2025/10/15/%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%87/#respond Wed, 15 Oct 2025 06:56:54 +0000 https://bbangla.net/?p=3862 ঢাকা কলেজে শিক্ষক লাঞ্ছনা ও শিক্ষার্থীর ওপর হামলার প্রতিবাদে সারাদেশের সকল সরকারি কলেজে কর্মবিরতি পালন করছেন শিক্ষকরা। একইসঙ্গে কালো ব্যাজ ধারণ করে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের এই কর্মকর্তারা। বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের ডাকে তারা এ কর্মসূচি পালন করেন।

এ কর্মবিরতির কারণে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন সব সরকারি-বেসরকারি কলেজের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। এসময় শিক্ষকরা ঢাকা কলেজের শিক্ষক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনাসহ ১০ দফা দাবি উত্থাপন করেন।

শিক্ষকদের এই কর্মসূচির কারণে এদিন কোনো ক্লাস হয়নি। ঢাকা কলেজে দেখা গেছে, শিক্ষকেরা বিভাগ থেকে বের হয়ে কলেজের শহীদ মিনারের সামনেও অবস্থান করেন। এতে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ এ কে এম ইলিয়াস হোসেনও অংশ নেন। এদিন ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষকরা প্রতিবাদ জানাতে বিক্ষোভ মিছিল করেন। এসময় কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. শামছুন নাহার অংশ নেন। তিনি বলেন, শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষায় কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

এদিন ঢাকার সাতটি কলেজ একীভূত করে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি করা নিয়ে পালটাপালটি কর্মসূচি ঘিরে ছাত্রকে মারধর ও শিক্ষককে হেনস্তার প্রতিবাদে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব মোড়ে ‘ব্লকেড কর্মসূচি’ পালন করেছেন ঢাকা কলেজের ছাত্ররা। এতে বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্রীরাও সংহতি জানান।

অন্যদিকে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় করার দাবিতে আন্দোলনকারী বেশ কিছুসংখ্যক ছাত্র ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

বিসিএস জেনারেল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এবং সদস্য সচিব ড. মো. মাসুদ রানা খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার রাতে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঐতিহ্যবাহী ঢাকা কলেজে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের ওপর দুষ্কৃতকারীদের হামলা এবং টিচার্স লাউঞ্জে ভাঙচুরের ঘটনায় সংগঠনটি তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। একই সঙ্গে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ঢাকাসহ দেশের সব সরকারি কলেজের শিক্ষকরা আজ সর্বাত্মকভাবে কর্মবিরতি পালন করবেন। এ কর্মসূচি সফল করতে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের সব কর্মকর্তাকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির নেতারা বলেন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এমন ঘটনা শিক্ষাঙ্গনে ভয় ও অস্থিরতা সৃষ্টি করে, যা রাষ্ট্রীয় শিক্ষাব্যবস্থার জন্য হুমকিস্বরূপ।

এর আগে সোমবার সকালে ঢাকা কলেজ প্রাঙ্গণে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’ দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের পদযাত্রার সময় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

এসময় এক শিক্ষার্থী শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে ‘দালাল’ মন্তব্য করলে শিক্ষকরা তাকে কমনরুমে আটক করে রাখেন। পরে তার সহপাঠীরা প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে তাকে ছাড়িয়ে আনেন। এ ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

]]>
https://bbangla.net/2025/10/15/%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%86%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a7%87/feed/ 0
টাঙ্গাইলে এনসিপির পদযাত্রায় শিক্ষার্থীদের যেতে ‘বাধ্য করার’ প্রতিবাদে বিক্ষোভ https://bbangla.net/2025/07/30/%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a6%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d/ https://bbangla.net/2025/07/30/%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a6%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d/#respond Wed, 30 Jul 2025 13:40:14 +0000 https://bbangla.net/?p=3271 টাঙ্গাইলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের যেতে বাধ্য করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেন। পরে তারা টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এ সময় তারা ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রাজনীতি চলবে না, চলবে না, চলবে না’ বলে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন- বর্তমান শিক্ষার্থী সাইফুল বারী, সাবেক শিক্ষার্থী তানজিল আহমেদ ও সজিব আহমেদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, গত ২৯ জুলাই শহরের নিরালার মোড়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির পদযাত্রায় অংশ নেওয়ার জন্য ক্লাস চলাকালে এনসিপির নেতৃবৃন্দ বিন্দুবাসিনী সরকারি বিদ্যালয়ে ক্লাস রুমে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা অরাজনৈতিক কথা বলে শিক্ষকদের অনুমতি ছাড়াই শিক্ষার্থীদের এনসিপির সমাবেশে যেতে বাধ্য করেন। একপর্যায়ে এনসিপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শিক্ষকদের কথা কাটাকাটি হয়। পরবর্তীতে বাধ্য হয়েই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি ছুটি দেওয়া হয়।

তারা আরও বলেন, যারা শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে যেতে বাধ্য করেছেন, আমরা তাদের শাস্তির দাবি করছি। একই সঙ্গে ঘটনায় জড়িতদের জনসম্মুখে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান করছি। তা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন বক্তারা।

অভিযোগের বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেল বলেন, ‘আমি এ নিয়ে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করছি। আমরা তাদের বলেছি, ভবিষ্যতে এনসিপির কোনো সভায় তাদের আনা হবে না।’

বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তোফাজ্জাল হোসেন বলেন, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতৃবৃন্দ বিদ্যালয়ে এসে সকাল ১১টার সময় তাদের পদযাত্রায় ছাত্রদের অংশ নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালে ছাত্র দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেই। পরবর্তীতে ১১টা ৪৫ মিনিটে স্কুল ছুটি হওয়ার পর হয়তো ছাত্ররা যেতে পারে। তবে বিষয়টি আমার জানা নেই।’

উল্লেখ্য মঙ্গলবার সকাল ১১টায় শহরের শামছুল হক তোরণ থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির জুলাই পদযাত্রা বের হওয়ার কথা ছিল। পরে দুপুর ১টার দিকে পদযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহরের নিরালা মোড়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

]]>
https://bbangla.net/2025/07/30/%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%a6%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d/feed/ 0
জুলাই ৩৬ কনসার্টের নামে ৭৬ লাখ টাকা চেয়ে সাবেক সমন্বয়কের চিঠি! https://bbangla.net/2025/07/29/%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a7%a9%e0%a7%ac-%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a7%ad/ https://bbangla.net/2025/07/29/%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a7%a9%e0%a7%ac-%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a7%ad/#respond Tue, 29 Jul 2025 17:56:37 +0000 https://bbangla.net/?p=3260 রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সালাউদ্দিন আম্মারের বিরুদ্ধে অনুদানের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠেছে। চব্বিশের ছাত্রজনতার গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই ৩৬, মুক্তির উত্সব’ কনসার্ট আয়োজনের জন্য ৭০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে ৭৬ লাখ টাকা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন।

ইতোমধ্যেই রাজশাহী সিটি করপোরেশন তাদের দুই লাখ টাকা প্রদান করেছে। ৫ আগস্ট এই কনসার্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। সৃষ্টি হয়েছে চরম সমালোচনার।

এই বিষয়ে সালাউদ্দিন আম্মার নিজেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জানিয়েছেন, অন্তত ৭০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তাদের দেওয়া চিঠিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সালেহ হাসান নকীব সুপারিশও করেছেন।

অনুদান চাওয়া জুলাই ৩৬ কনসার্টে আয়োজক হিসাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক্যাম্পাস বাউলিয়ানা’ নামে একটি দলের পরিচালক কেএসকে হৃদয়ও রয়েছেন।

রাসিকে দেওয়া আবেদনের প্রেক্ষিতে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে তাদের দুই লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়। তবে, অনুদান প্রদানের বিষয়ে জানতে রাসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক খোন্দকার আজিম আহমেদকে দুদিনে একাধিকবার কল করলেও তিনি রিসিভ করেননি। রাসিক সচিব রুমানা আফরোজের কাছে এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

তবে, টাকা দেওয়ার ছাড়পত্রে সই থাকা রাসিকের বাজেট কাম হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘এই বিষয়গুলো প্রশাসক স্যার দেখেন। আমি দেখি না। তাই বলতে পারছি না।’

ভাইরাল হওয়া ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, রাজশাহীর গৌরবময় ইতিহাসে ৩৬ জুলাই একটি স্মরণীয় দিন। এই দিনটি আমরা ‘জুলাই আন্দোলন’ হিসাবে স্মরণ করি, যেখানে বহু তরুণ শহীদ হয়েছিলেন এবং অনেকে আহত হয়েছিলেন। এই ঐতিহাসিক ঘটনার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে আমরা আয়োজন করতে যাচ্ছি ‘৩৬ জুলাই : মুক্তির উত্সব’। এই উত্সবে রাজশাহীর শহীদ পরিবার, আহতদের পরিবার, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং সম্মানিত সমন্বয়করা উপস্থিত থাকবেন।

অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হলো শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন ও তরুণ প্রজন্মকে তাদের আত্মত্যাগের গল্প জানানো। এই মহৎ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে আর্থিক অনুদান কামনা করছি। আপনাদের সহযোগিতা পেলে এই আয়োজন আরও সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে।

ভাইরাল হওয়া চিঠিটি ছাড়াও প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও ওয়ালটনের কাছেও আর্থিক অনুদান চাওয়া চিঠি পাওয়া গেছে। ওই চিঠিগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীবের সুপারিশ রয়েছে।

ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া চিঠি নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ফাহিম রেজা তার ব্যক্তিগত ফেসবুক টাইমলাইন পোস্টে লেখেনএই আয়োজন কারা করছে সে বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই নিয়ে একটা সিনেমার বিষয়ে সহায়তার জন্য আমরা রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কাছে গেছিলাম কিন্তু তিনি কোনো সহায়তা করেননি। অথচ এখানে কনসার্ট হবে সেখানে তিনি কীভাবে সহায়তা দেন?

আরেক ফেসবুক পোস্টে শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক নাফিউল ইসলাম লিখেছেন, ‘জুলাই-অভ্যুত্থানে এখনো অসংখ্য আহত তাদের চিকিত্সা করতে পারেননি। সরকারি টাকায় উদযাপনের আগে তাদের চিকিত্সা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এই আন্দোলনে ফ্যাসিবাদবিরোধী সব রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। সুতরাং একক ক্রেডিট নিয়ে সরকারি টাকায় জুলাই উদযাপন করা জুলাইযোদ্ধাদের সঙ্গে মোনাফেকি করার নামান্তর।’

চিঠির বিষয়ে জানতে চাইলে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘আমাদের দেওয়া রাসিকের চিঠিটি নিয়ে মিডিয়াগুলো সংঘবদ্ধ হয়ে মিডিয়া ট্রায়াল চালাচ্ছে, নোংরামি করা হচ্ছে। অথচ প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, ওয়ালটন, যমুনা ব্যাংক, সুলতানস ডাইনসহ প্রায় ৭০টি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে আমরা প্রপোজাল দিয়েছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্যারের সুপারিশ নিয়ে, যথাযথ নিয়ম মেনেই প্রপোজাল দেওয়া হয়েছে। উপাচার্য প্রতিটি প্রপোজালে সিল, স্বাক্ষর দিয়েছেন। সিটি করপোরেশনে আমরা চিঠি দিয়ে বলেছিলাম আপনাদের পক্ষ থেকে যতটুকু করা যায় আপনারা করবেন। আমাদের ব্যানার হবে ৬৮ থেকে ৭২ পর্যন্ত সব ব্যাচের সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজন। এর আগেও রাসিক বিভিন্ন সংগঠনকে অর্থায়ন করেছে। আয়োজনটা যেন না করতে পারি সেজন্য এটা নিয়ে একটা পক্ষ নোংরামি শুরু করেছে।

অনুষ্ঠানের আরেক আয়োজক বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক্যাম্পাস বাউলিয়ানার পরিচালক কেএসকে হূদয় বলেন, কোনো একটি অনুষ্ঠান অরগানাইজ করার সময় বিভিন্ন কোম্পানির কাছে স্পন্সরের প্রপোজাল দেওয়ার রীতি নতুন নয়। যুগ যুগ ধরে এভাবেই চলে আসছে। স্পন্সর নেওয়া যদি চাঁদাবাজি হয়, তাহলে আমি বলব, যুগ যুগ ধরে এই চাঁদাবাজি চলছে। সিটি করপোরেশন শুধু আমাদেরকে না, সব ভালো কাজেই স্পন্সর করে। কিছু দিন আগে একটা সংগঠনের বইমেলায় স্পন্সর করেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের কনফারেন্সে করছে। তাই আমাদের প্রোগ্রামের জন্য এটা ব্যতিক্রম কিছু নয়। আমরা প্রপোজালে কোথায় কত টাকা খরচ হবে, সবকিছু উল্লেখ করে দিয়েছি। পুরো প্রোগ্রাম সম্পর্কে একটা ধারণা দিয়েছি।

সম্মতির বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব বলেন, আমি প্রথমেই বলে দিয়েছি এই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় কোনো অর্থ সহায়তা করতে পারবে না। এটা সম্পূর্ণ তোমাদের উদ্যোগে করতে হবে। তখন সে আমায় বলে অর্থ বরাদ্দের জন্য সুপারিশ করে দিতে। আমি ক্যাম্পাসের অনেক সাংস্কৃতিক সংগঠনের জন্য এর আগেও সুপারিশ করেছি। এটাও সেরকমই একটি ছিল।

]]>
https://bbangla.net/2025/07/29/%e0%a6%9c%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87-%e0%a7%a9%e0%a7%ac-%e0%a6%95%e0%a6%a8%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87-%e0%a7%ad/feed/ 0