চিত্র বিচিত্র – BBangla.net https://bbangla.net বাঙালীর কথা বলে Tue, 07 Oct 2025 18:42:09 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.0 https://bbangla.net/wp-content/uploads/2024/09/cropped-Fev-bbangla-32x32.png চিত্র বিচিত্র – BBangla.net https://bbangla.net 32 32 রক্তবীজ ২: বাংলা সিনেমায় রাজনৈতিক থ্রিলারের নতুন উচ্চতা/মালিহা মমতাজ https://bbangla.net/2025/10/07/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%9c-%e0%a7%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/ https://bbangla.net/2025/10/07/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%9c-%e0%a7%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/#respond Tue, 07 Oct 2025 18:42:09 +0000 https://bbangla.net/?p=3723 রক্তবীজ : বাংলা সিনেমায় রাজনৈতিক থ্রিলারের নতুন উচ্চতা।

মালিহা মমতাজ

 

বাংলাদেশ ও ভারতের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের পটভূমিতে নির্মিত পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্র ‘রক্তবীজ ২’ সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে, যা প্রণব মূখার্জীর বাস্তব ঘটনা এবং কূটনীতির ছায়ার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। উপমহাদেশের বিখ্যাত সাংবাদিক,লেখক,প্রেসক্লাব অব ইন্ডিয়ার সভাপতি গৌতম লাহিড়ীর বই ‘প্রণব মূখার্জী: রাজনীতি ও কূটনীতি’ এর ছায়া’ থেকে অনুপ্রাণিত এ সিনেমাটি গভীর একটি কাহিনী উপস্থাপন করেছে।

রক্তবীজ : বিশ্লেষণ রিভিউ

নির্দেশনা প্রেক্ষাপট:
নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখার্জী আবারও থ্রিলার জগতে একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী প্রয়াস নিয়েছেন রক্তবীজ –তে। পূর্বের রক্তবীজ‑এর ধারাবাহিকতায়, এই ছবিতে রাজনৈতিক থ্রিলার, সন্ত্রাসবাদ, সীমান্তের অন্তরায়, এবং দুই দেশের (ভারত ও বাংলাদেশ) সম্পর্কের সংকট ও উত্তেজনার ইমেজ জড়িয়ে আছে।

গল্প / স্ক্রিপ্ট

রক্তবীজ শুরু হয়ে যায় সরাসরি একটি বড়ও বিপজ্জনক পরিকল্পনার মাধ্যমে — নতুন খলনায়ক মুনির আলমের হাত ধরে। তাঁর উদ্দেশ্য, সীমান্ত পেরিয়ে দুই দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা এবং জনসাধারণের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেওয়া। পরিচালক ও স্ক্রিপ্ট রাইটার জিনিয়া সেন গৌতম লাহিড়ির বই থেকে এই থ্রিলার কাহিনী খুব যত্নের সঙ্গে গড়েছেন — অতীতের কিছু ঘটনা, চরিত্রগুলোর ব্যক্তিগত জীবন, এবং রাজনৈতিক ও মানবিক উত্তেজনা প্রত্যেকই ধাপে ধাপে খুলতে দেখা যায়।

গল্পের পাঠ প্রায় পুরোপুরি শাসিত, থ্রেডগুলো রয়েছে স্পষ্টভাবে — তদন্ত, কি কুশলীভাবে খলনায়কের পরিকল্পনা ধরা পড়বে, কর্তব্যবোধ এবং নৈতিক দ্বন্দ্ব, ব্যক্তিগত সম্পর্ক, ভালো ও মন্দের সংযোগ ইত্যাদি।

 

চরিত্র অভিনয়

আবির চট্টোপাধ্যায় (পঙ্কজ সিংহ/DIG বা তদন্ত কর্মকর্তা): যথেষ্ট ভারসাম্যপূর্ণ, যেখানে তিনি শুধু অ্যাকশন‑নায়ক নন, বরং চরিত্রের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, অতীত ও দায়বোধের বোঝাও বহন করেন।
মিমি চক্রবর্তী (সংযুক্তা/SP বা পুলিশ কর্মকর্তা): শক্তিশালী উপস্থিতি, অ্যাকশন এবং সংলাপ–দুটোর মধ্যেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন। রোমান্সের অংশ আছে, তবে গুরুত্বপূর্ণ হলো যখন সংযুক্তা কাজ করছে, দায়িত্ব পালন করছে, তখন সে দৃঢ় ও নির্ভেজাল।  
অঙ্কুশ হাজরা (মুনির আলম, খলনায়ক): তিনি এই ছবির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্বগুলোর মধ্যে একজন। ভিলেন হিসেবে তার চরিত্রে রয়েছে একটি গভীর বিশ্লেষণ — শুধুমাত্র অপকরবেও নয়, তাঁর পেছনে ইতিহাস, ক্ষত, চিন্তা আছে। তার বেসিক ভূমিকাটি মনে রাখা যাবে।

অন্য চরিত্র যেমন ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়, কৌশানী মুখোপাধ্যায় ও সীমা বিশ্বাসদের পার্শ্বচরিত্রও গল্পকে মোটা দাগে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা

 

প্রযুক্তি, দিকনির্দেশনা সৃজনশীল উপাদান

  • চিত্রনাট্য স্ক্রিপ্টিং — জিনিয়া সেনের লেখা স্ক্রিপ্ট দ্রুত গতি ধরে রাখে, কখনও গুলি ছুঁড়ে দেয়, কখনও চরিত্রের অতীতে ফিরে যায়, সব মিলিয়ে আকর্ষণ ধরে রাখে। চিত্রগ্রহণ লোকেশন — সিনেমার দৃশ্যভান্ডার মার্জিত, সীমান্ত এলাকা,
  • শহর‑গ্রামের পার্থক্য, আন্তর্জাতিক স্থানে দৃশ্য প্রয়োগ সবই ভালোভাবে করা হয়েছে
  • অ্যাকশন এবং থ্রিলার সিকোয়েন্স — বেশিরভাগ সময় উত্তেজনাপূর্ণ ও নির্মিত হয়েছে দক্ষভাবে; তবে কিছু ক্লাইম্যাক্টিক অ্যাকশন দৃশ্য একটু দীর্ঘস্থায়ী অনুভূত হতে পারে।
  • সঙ্গীত গান — গানগুলোর মধ্যে যেমন „চোখের নীলে“ দেখা গেছে, কিছু গান ভালোভাবে গল্পে ঢুকে গেছে; তবে সামগ্রিক সুর বা ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর মাঝে মাঝে চাহিদামত গভীরতা দিতে পারছে না—কিন্তু কোনোরকম ব্যর্থ নয়।

শক্তি বিশেষ উৎকর্ষ

  1. দলনির্মাণ পারফরম্যান্স — প্রধান ও পার্শ্বচরিত্ররা সবাই যথেষ্ট বিষয়ে অবদান রেখেছেন, বিশেষ করে ভিলেনের ভূমিকায় অঙ্কুশ, নায়িকা ও নায়ক উভয়েই মান রক্ষা করেছেন।
  2. যুদ্ধ নৈতিকতা — শুধু থ্রিল ও অ্যাকশন নয়, মানুষের মন, দায়বোধ, বিচার, রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট সব মিলিয়ে একটি চিন্তার ঘূর্ণিপাক সৃষ্টি করেছে।
  3. পেস উত্তেজনা — সিনেমাটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত টানটান অনুভূতি রাখে; বড় ধরণের ফাঁক‑ফোকর কম।
  4. বার্তা সামাজিক প্রাসঙ্গিকতা — সীমান্ত সন্ত্রাস, ভারতের ও বাংলাদেশের আন্তঃসম্পর্ক, রাষ্ট্র এবং সাধারণ মানুষের দায়‑দায়িত্বের প্রশ্নগুলো উঠে এসেছে বোঝাপড়ার সাথে।

দুর্বল দিক

কিছু বিষয় আছে যা একটু উন্নত করা যেতে পারত:

  • কিছু অংশে সংলাপ বা ঘটনা এমন লাগে যেন দর্শকের জন্য বেশি পরিচিত ধাঁচের ক্লিশে উপাদান — কিছু সিদ্ধান্ত বা ঘটনাপ্রবাহ বেশি প্রত্যাশিত।
  • গান ও রোমান্টিক সাবপ্লট মাঝেমাঝে থ্রিলার এর গতি কিছুটা ধীর করে দেয়।
  • ক্লাইম্যাক্টিক মুহূর্তগুলো হতে পারে আরও সংক্ষিপ্ত এবং আরও টেনশন বজায় রেখে করা যেত।

উপসংহার

রক্তবীজ একটি শক্তিশালী থ্রিলার এবং একই সঙ্গে একটি গভীর সামাজিক ও রাজনৈতিক বিবেচনা। সিনেমার প্রতিটি দিক, বিশেষ করে কাহিনী, অভিনয়, এবং টেকনিক্যাল কাজ গুলো সাফল্যের সাথে একত্রিত হয়েছে।
সিনেমাটির পেস, চরিত্রগুলোর জটিলতা, এবং তার সাসপেন্সপূর্ণ মুহূর্তগুলো দর্শককে ধরে রাখে। যদিও কিছু জায়গায় গল্পের গতি বা সংলাপের গভীরতা আরও উন্নত হতে পারত, তবুও এটি একটি দর্শনীয় সিনেমা, যা থ্রিলার এবং রাজনৈতিক গল্পে আগ্রহী দর্শকদের জন্য আদর্শ।

এই সিনেমাটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্যই নয়, বরং দর্শকদের মানুষের মনস্তাত্ত্বিক দিক, নৈতিক দ্বন্দ্ব এবং রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে ভাবতে বাধ্য করবে। রক্তবীজ তাই, সত্যি বললে, ভারতের বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম একটি উচ্চমানের কাজ।

রক্তবীজ আমাদের শেখায়—সীমান্ত শুধু ভূগোল নয়, এটি মানুষের মনেও আঁকা এক দাগ।
আর সেই দাগের ভেতরেই হয়তো লুকিয়ে আছে সত্যিকারের রক্তবীজ।

 

]]>
https://bbangla.net/2025/10/07/%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%9c-%e0%a7%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc/feed/ 0
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে  নৃত্য ও রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষিদ্ধ করে বিতর্কে অধ্যাপক কামরুল হাসান। https://bbangla.net/2025/09/27/3600/ https://bbangla.net/2025/09/27/3600/#respond Sat, 27 Sep 2025 07:30:50 +0000 https://bbangla.net/?p=3600 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে  নৃত্য ও রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষিদ্ধ করে বিতর্কে অধ্যাপক কামরুল হাসান।
ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের প্রাচীনতম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আজ প্রবল সমালোচনার মুখে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যটন ও হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের এমবিএ কো-অর্ডিনেটর ড. কামরুল হাসান বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নৃত্য ও রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন নিষিদ্ধ করার অভিযোগে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তিনি নৃত্যকে “পাপ” আখ্যা দিয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীতকে “বিদেশি সংস্কৃতি” হিসেবে অপমানজনক মন্তব্য করেন। কয়েক সপ্তাহের প্রস্তুতির পর হঠাৎ করেই তিনি নৃত্য ও রবীন্দ্রসঙ্গীত বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেন এবং নিজের পছন্দের কিছু কবিতা পাঠ ও গান রাখেন। শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করলে তাদের উপস্থিতি নম্বর কেটে দেওয়ার মতো শাস্তিমূলক পদক্ষেপও নেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনাকে কেবল ব্যক্তিগত মতামত বা ভুল সিদ্ধান্ত বলা যাবে না। এটি সরাসরি সাংস্কৃতিক স্বাধীনতার ওপর আঘাত এবং বাংলাদেশের আত্মপরিচয়ের প্রতি এক অশ্রদ্ধাজনক আক্রমণ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোনো বিদেশি নন—তিনি জাতির কবি, জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা এবং বাঙালির সাংস্কৃতিক অস্তিত্বের মূলে প্রতিষ্ঠিত এক মহীরুহ। তাঁকে ‘বিদেশি’ আখ্যা দেওয়া কেবল অজ্ঞতাই নয়, সাংস্কৃতিক বিশ্বাসঘাতকতা।

অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ দমাতে ড. হাসান উপস্থিতির তালিকায় তাদের নাম কেটে দেন বা কোর্সে ফেল করানোর হুমকি দেন। এটি শিক্ষকের দায়িত্বের পরিপন্থী এবং ক্ষমতার নগ্ন অপব্যবহার। একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকশিত করার বদলে ভয় দেখিয়ে দমন করবেন—এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান-মর্যাদার সঙ্গে একেবারেই সাংঘর্ষিক।

পরিস্থিতি আরও নিন্দনীয় হয়েছে ড. হাসানের পরবর্তী বক্তব্যে। তিনি দাবি করেন, “কাউকে নিষেধ করিনি, কেবল দায়িত্বশীল আয়োজক ছিল না।” এই ব্যাখ্যা স্পষ্টতই অসত্য এবং ভণ্ডামিপূর্ণ। আসল ঘটনা হলো, তিনি নিজের সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা ইতিমধ্যেই লিখিত অভিযোগ করেছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ করেছে। তাদের প্রতিবাদ প্রমাণ করে, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা রক্ষায় তারা পিছপা নয়। কিন্তু এখন প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কি শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াবে, নাকি এক অসহিষ্ণু শিক্ষকের স্বেচ্ছাচারিতা নীরবে মেনে নেবে?

এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মুক্তচিন্তা, গণআন্দোলন এবং সাংস্কৃতিক চেতনার প্রতীক। সেই বিশ্ববিদ্যালয় যদি আজ নীরব থাকে, তবে এটি শুধু একটি বিভাগের নয়, গোটা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদাকে কলঙ্কিত করবে।

এ বিতর্ক আর কেবল একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নিয়ে নয়। এটি শিক্ষার্থীদের মুক্তচেতনা, বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতার প্রশ্ন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে এখনই সিদ্ধান্ত নিতে হবে—সে কি দাঁড়াবে শিক্ষার্থীদের পাশে এবং জাতির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে, নাকি মাথা নত করবে অজ্ঞতা ও অসহিষ্ণুতার কাছে?

]]>
https://bbangla.net/2025/09/27/3600/feed/ 0
বাংলাদেশে মৌলবাদী তাণ্ডব: অন্ধ শিল্পীর গানও আর নিরাপদ নয়, দেশ ডুবে যাচ্ছে অন্ধকারে https://bbangla.net/2025/09/15/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%8c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%ac/ https://bbangla.net/2025/09/15/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%8c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%ac/#respond Mon, 15 Sep 2025 09:42:25 +0000 https://bbangla.net/?p=3455 ঢাকা, ১৫ই সেপ্টেম্বর:
বাংলাদেশে দিন দিন যে ধরনের নৃশংসতা ছড়াচ্ছে, তা সাধারণ মানুষকে হতবাক করে তুলেছে। যেখানে জীবনের সবচেয়ে সাধারণ আনন্দ—একজন অন্ধ শিল্পীর গান—ও হয়ে উঠছে অপরাধ, সেখানে দেশের মানুষ যেন একটি ক্রমশ বাড়তে থাকা ভয় ও নির্যাতনের ঝড়ের মুখোমুখি।

শ্রীমঙ্গল থেকে শায়েস্তাগঞ্জ পর্যন্ত যাত্রীদের জন্য গান পরিবেশন করে জীবিকা নির্বাহ করা অন্ধ শিল্পীকে গত শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) পারাবত ট্রেনে প্রকাশ্যে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হলো। লোকটিকে গলা টিপে ধরে ধমকানো হলো, কেবল সেই অপরাধে যে সে তার বেহালায় গান গাইছিল। ট্রেনে থাকা এক প্রত্যক্ষদর্শী এই নৃশংস দৃশ্য ধারণ করে আমাদের কাছে পাঠিয়েছেন।

এই ঘটনা শুধু একটি ঘটনার চেয়ে অনেক বেশি। এটি প্রমাণ করে, বাংলাদেশের সমাজে মৌলবাদী চরম উত্থান কতটা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। যেখানে একজন প্রতিবন্ধী শিল্পীও তার কণ্ঠস্বর দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে পারছে না, সেখানে সাধারণ মানুষের মৌলিক স্বাধীনতা, আনন্দ এবং নিরাপত্তা কতটা সঙ্কটাপন্ন, তা স্পষ্ট।

দেশের শহর, গ্রাম, ট্রেন, বাজার—সব জায়গায় এমন উদাহরণ বেড়ে চলেছে। মানুষের মৌলিক অধিকার ক্রমশ হরণ হচ্ছে। প্রতিদিন বেড়ে চলা এই জুলুম এবং অবিশ্বাস্য নৃশংসতা সমাজকে এক অন্ধকার দিকের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ফুলে ফোটা, সাত রঙে ভরা দেশের মানুষ আজ অভিভূত, দমবন্ধ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

যেখানে মৃত মানুষও নিরাপত্তায় নেই, সেখানে জীবিত মানুষের নিরাপত্তা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়াই স্বাভাবিক। প্রতিদিন নতুন করে এই প্রশ্ন জন্ম নিচ্ছে—“মানুষ কি স্বাধীনভাবে বাঁচতে পারবে?” “মানবিক অধিকার কি কোনো মানেই থাকবে?” এই প্রশ্নগুলো শুধুই জমে থাকে, বিড়বিড় করে ক্রমশ সমাজের চেতনার গভীরে।

বাংলাদেশের এই পরিস্থিতি শুধু মানবাধিকার লঙ্ঘন নয়; এটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অন্ধকারের সংকেত। একজন শিল্পীকে তার গান গাইতে না দেওয়া, একজন প্রতিবন্ধী মানুষের কণ্ঠস্বর দমিয়ে রাখা মানে দেশের স্বাধীনতা, সংস্কৃতি, আনন্দ এবং মানবিকতা দমনের সূচনা।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে—যে দেশে মৌলবাদের উত্থান নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে, সেখানে সাধারণ মানুষের জন্য কোন নিরাপত্তা অবশিষ্ট থাকবে? কোথায় যাচ্ছে এই দেশ, যেখানে মানুষের মৌলিক স্বাধীনতা এবং সৃজনশীলতা অপরাধের মতো মনে হয়? এই প্রশ্নগুলো ছাড়া বাংলাদেশে প্রতিদিনের জীবন কেবল আতঙ্কের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বাংলাদেশের বর্তমান চিত্র একান্তই করুণ। মৌলবাদের চরম উত্থান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকারহীনতা, মানুষের উপর ক্রমাগত অত্যাচার—সবই একত্রে দেশটিকে করালগ্রাসের পথে ঠেলে দিচ্ছে। গান কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, আনন্দ কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, কণ্ঠস্বর দমিয়ে দেওয়া হচ্ছে—এভাবে ধীরে ধীরে মানুষ এবং দেশ উভয়ই নিঃশব্দে নিপীড়িত হচ্ছে।

]]>
https://bbangla.net/2025/09/15/%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%8c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%ac/feed/ 0
মন্ট্রিয়লে প্রথম বাংলাদেশ ডে প্যারেড উদযাপিত https://bbangla.net/2025/08/26/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6/ https://bbangla.net/2025/08/26/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6/#respond Tue, 26 Aug 2025 07:36:03 +0000 https://bbangla.net/?p=3402 গ্লোবাল অ্যালায়েন্স এগেইনস্ট এজেন্ট এন্ড ভায়োলেন্স অন হিউম্যানিটি (GA3VH)এর আয়োজনে মন্ট্রিয়লে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ডে প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার দুপুর আড়াইটা থেকে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানে কমিউনিটির অসংখ্য মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রাবেয়া হোসেন।

প্যারেডের প্রথম অংশে লাল-সবুজ পতাকা হাতে ছোট ছোট শিশুরা বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করে হাঁটে। দ্বিতীয় পর্বে শিশু-কিশোরদের জন্য আয়োজিত হয় “এসো বাংলাদেশকে জানি” কুইজ প্রতিযোগিতা, যেখানে প্রায় ৩০ জন প্রতিযোগী অংশ নেয়। কুইজ পর্বটি অত্যন্ত দক্ষতা এবং সুশৃংখলভাবে পরিচালনা করেন ড. শিশির ভট্টাচার্য। বিচারক মণ্ডলীতে ছিলেন জেবুল হাসান, নওসাবা করিম, মানু হালদার ও ফাতেমা আক্তার।

অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহব্যঞ্জক পারফরম্যান্সের জন্য প্রত্যেককে পুরস্কার হিসেবে বই প্রদান করা হয়। পুরস্কার বিতরণ করেন গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের এক্সিকিউটিভ চান্দ্রা ও তারেক চৌধুরী, ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহাবুদ্দিন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুল করিম জাহাঙ্গীর।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী বক্তব্যে গ্লোবাল অ্যালায়েন্সের চেয়ারপারসন ইশরাত আলম বলেন,

“গ্লোবাল অ্যালায়েন্স শিশু, নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিয়ে মূলধারায় কাজ চালিয়ে যাবে। খুব শিগগিরই আমাদের ওয়েবসাইট উদ্বোধন হবে, যেখানে এক্সিকিউটিভ প্যানেল এবং আগামীর কর্মসূচি উল্লেখ থাকবে।”

তিনি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন IGA সুপার মার্কেটকে, শিশুদের জন্য পানি, জুস, গ্র্যানোলা বার, ডোনাট ও আপেল সরবরাহ করার জন্য।

চমৎকার সাংস্কৃতিক পর্বে পরিবেশিত হয় বাংলা গান, লোকগান, আধুনিক গান, কবিতা ও নৃত্য। অংশ নেন শিল্পী সফিনা কারিম, নাজনীন মিশা, প্রণব মিঠু, বি জামান সুজন ও কবিতায় রাঙ্গা। এছাড়া নৃত্যকলা একাডেমির শিশুদের পরিবেশনা সকলকে মুগ্ধ করে।

অনুষ্ঠানের ব্যানারে লেখা ছিল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অমর বাণী—

“শ্বেত শতদল-বাসিনী নয় আজ
রক্তাম্বরধারিণী মা,
ধ্বংসের বুকে হাসুক মা তোর
সৃষ্টির নব পূর্ণিমা।”

এছাড়াও স্থান পেয়েছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উক্তি—

“মুক্তির মন্দির সোপানতলে কত প্রাণ হলো বলিদান।”

অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণ করেন কমিউনিটি নেতৃবৃন্দদের মধ্যে
ছিলেন ,কমিউনিটি নেতা সাজ্জাদ হোসেন সুইট, শরিফ উল্লাহ, লুৎফুর রহমান, সাংবাদিক তানভির ইউসুফ রনি, মনোয়ারা বেগম, মুফতি ফারুক, অনুপ চৌধুরী মিঠু, ইলোরা আক্তার, শাহ আলম মোল্লা এবং আরও অনেকে।

স্পন্সর হিসেবে সহযোগিতা করেছেন—প্রাইমারিকা (মনোয়ারা বেগম), বিক্রমপুরের প্রেসিডেন্ট বজলুর রহমান, সালাতিন রেস্টুরেন্ট (সাজ্জাদ হোসেন সুইট), সালমা আক্তার, লুৎফুর রহমান, ইলোরা আক্তার, শাকিলা শারমিন, শরিফ উল্লাহ, নাজনীন নিশা।

অনুষ্ঠানের ভিডিওগ্রাফি ও ফটোগ্রাফিতে ছিলেন সাজু মোয়াজ্জেম।

সমাপনী বক্তব্যে চেয়ারপারসন ইশরাত আলম বলেন,

“বাংলাকে ভালোবাসুন, বাংলা ভাষাকে ভালোবাসুন। শিশুদের বাংলাদেশ সম্পর্কে জানানো আমাদের কর্তব্য। বাংলার গান, সুর, ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আগামী প্রজন্মকে ধারণ করতে হবে—তারাই আলোকবর্তিকা বহন করবে।”

রোদ-বৃষ্টির খেলা চললেও অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ ও উদ্দীপনায় অনুষ্ঠানের উজ্জ্বলতা বিন্দুমাত্র ম্লান হয়নি। প্যারেডে শিশুদের হাতে শাপলা, কলকা ও কলসের প্রতীকী সাজ ছিল, যার নকশা ও সৃজনশীলতা উপহার দেন রিনা।

]]>
https://bbangla.net/2025/08/26/%e0%a6%ae%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a5%e0%a6%ae-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6/feed/ 0
উত্তরায় শুটিং হাউস বন্ধের নোটিশ, নির্মাতা-শিল্পীদের তীব্র প্রতিবাদ। https://bbangla.net/2025/07/25/%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7/ https://bbangla.net/2025/07/25/%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7/#respond Fri, 25 Jul 2025 05:07:54 +0000 https://bbangla.net/?p=3242
উত্তরা সেক্টর-৪ কল্যাণ সমিতি কর্তৃক নাটক ও সিনেমার শুটিং বন্ধের নোটিশকে কেন্দ্র করে সংস্কৃতি অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। সমিতির এই সিদ্ধান্তকে শিল্প ও সংস্কৃতির ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন নির্মাতা, শিল্পী ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতারা।

২০ জুলাই উত্তরা সেক্টর-৪ কল্যাণ সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত একটি চিঠিতে শুটিং হাউসের মালিকদের বাড়ি ভাড়া না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, শুটিংয়ের কারণে রাস্তায় জনসমাগম, যান চলাচলে বিঘ্ন এবং বাসিন্দাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়াও, আবাসিক এলাকায় এ ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে নীতিমালার পরিপন্থি বলে আখ্যায়িত করা হয় এবং সেক্টরের পরিবেশ ও সুনাম রক্ষায় হাউসের মালিকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করা হয়। সমিতিটির প্রশাসনিক কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী গণমাধ্যমকে এই চিঠির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। উত্তরা সেক্টর ৪ এলাকায় লাবণী-৪, লাবণী-৫ ও আপনঘর-২ নামে তিনটি শুটিং হাউজ রয়েছে।

এই নোটিশের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নাট্য নির্মাতা, অভিনেতা এবং বিনোদন অঙ্গনের অন্যান্য তারকারা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

‘অভিনয় শিল্পী সংঘ’ এর সাধারণ সম্পাদক অভিনেতা রাশেদ মামুন অপু এই নোটিশকে ‘পরিকল্পিত মিথ্যা’ দিয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, শুটিং হাউজ মানেই হচ্ছে নিরিবিলি, নয়েজের (হট্টগোল) সঙ্গেই আমাদের শত্রুতা। কারণ শুটিংয়ে আমরা কখনও নয়েজটা কাভার করতে চাই না। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই এলাকায় আবাসিক হোটেল এবং স্কুলও রয়েছে, যা সমিতির অভিযোগের অসারতা প্রমাণ করে। অপু এই নোটিশকে আমাদের সংস্কৃতির ওপরে যে নানা ধরনের হামলা হচ্ছে, তারই একটা অংশ হিসেবে অভিহিত করেন এবং প্রয়োজনে এর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ (লিগ্যাল অ্যাকশন) নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

অভিনয়শিল্পী সংঘের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও অভিনেতা রওনক হাসানও সমিতির এই অভিযোগকে অযৌক্তিক বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, আবাসিক এলাকায় নানান রকম অফিস হয়। শত শত স্কুল হয়, মাল্টিটাইপ ব্যবসা হয়। শুধু শুটিংয়ে সমস্যা! তিনি আরও জানান যে, আগেও এ ধরনের চেষ্টা হয়েছে এবং সেগুলো সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো স্থানীয় সংসদ সদস্য, সিটি করপোরেশন এবং পুলিশ প্রশাসন মিলে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করে সমাধান করেছেন। এবারও একই ধরনের সমাধানের আশা প্রকাশ করেন তিনি।

অভিনেতা ও ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি শহিদুলজ্জামান সেলিম হঠাৎ করে শুটিং বন্ধের নির্দেশনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, একটা হাউজে অনেক ধারাবাহিকের শুটিং চলে, অনেক কন্টিনিউটি আছে। তাই হঠাৎ করে বললেই হয় না, একটা সময় দিয়ে বন্ধের চিঠি দিতে পারত। ডিরেক্টরস গিল্ড এর প্রতিবাদ জানিয়ে আজই চিঠি দেবে বলেও জানান তিনি এবং হাউসের মালিকদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

গিল্ডের সাধারণ সম্পাদক ফরিদুল হাসান বলেন, এই শুটিং হাউজে বহু ধারাবাহিক নাটকের কাজ চলছে। হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে গেলে ধারাবাহিকতায় সমস্যা হবে। তিনি জানান , বিষয়টি নিয়ে তারা সকল সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করবেন এবং এরপর উত্তরা কল্যাণ সমিতির সঙ্গে বসার পরিকল্পনা রয়েছে।

নির্মাতা তপু খান এই নিষেধাজ্ঞাকে শিল্পসংস্কৃতি বিকাশে বাধার শামিল বলে অভিহিত করেছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোকে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে বলেন, যদি কোনো ত্রুটি বা ভুল-বোঝাবুঝি হয়ে থাকে, তাহলে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যাবে। তাই বলে সরাসরি নিষেধাজ্ঞাকে ভালো চোখে দেখছি না।

শিল্পীরা এবং সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে একযোগে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন। তারা আইনি পদক্ষেপের পাশাপাশি উত্তরা কল্যাণ সমিতির সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে একটি সুনির্দিষ্ট সমাধান খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনা বাংলাদেশের শিল্প ও সংস্কৃতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

]]>
https://bbangla.net/2025/07/25/%e0%a6%89%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%82-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%89%e0%a6%b8-%e0%a6%ac%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a7/feed/ 0
বগুড়ায় জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া কর্মসূচিতে ‘শিবির–ইনকিলাব মঞ্চের হামলা’র অভিযোগ https://bbangla.net/2025/05/14/%e0%a6%ac%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%a4-%e0%a6%97/ https://bbangla.net/2025/05/14/%e0%a6%ac%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%a4-%e0%a6%97/#respond Wed, 14 May 2025 14:03:00 +0000 https://bbangla.net/?p=2950 বগুড়ায় বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার কর্মসূচিতে ছাত্র শিবির ও ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী। আজ বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই অভিযোগ করে সংগঠনটি। তবে পুলিশ বলছে, হামলার সময় ঘটনাস্থলে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের অবস্থান নিতে দেখা গেছে।

বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে স্বাক্ষর করা বিবৃতিতে বলা হয়, আজ বুধবার বিকেলে স্থানীয় সাতমাথা মোড়ে উদীচীসহ কয়েকটি সংগঠন আয়োজিত সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া কর্মসূচি শুরু হওয়ার সাথেসাথেই সেখানে উপস্থিত হয়ে কর্মসূচিতে বাধা দেয় ছাত্রশিবির এবং ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা। শুধু তাই নয়, বগুড়ায় উদীচীর জেলা কার্যালয়েও ভাঙচুর চালায় হামলাকারীরা।

এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে উদীচীর বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত কারও দানে পাওয়া না। ত্রিশ লাখ শহীদের রক্ত আর দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে এগুলো অর্জন করা হয়েছে। কিন্তু ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকেই একটি স্বার্থান্বেষী ধর্মান্ধ গোষ্ঠী জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা পরিবর্তন করা থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের মূল সুরকে নস্যাৎ করার চক্রান্তে লিপ্ত। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বকে কোনভাবেই নস্যাৎ হতে দেওয়া যাবে না।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদ এসব ন্যক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায় এবং একইসঙ্গে এর সাথে জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানাচ্ছে।

বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দিন ইনডিপেনডেন্ট ডিজিটালকে বলেন, ‘সাতমাথা মোড়ে একটি অনুষ্ঠানে একটু ঝামেলা হয়েছিল। তবে দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাওয়ার কারণে বড় কিছু হয়নি।’

এ বিষয়ে বগুড়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান বলেন, ‘উদীচীর ঢাকার অনুষ্ঠানের সাথে সমন্বয় করে বগুড়া সদরের খোকন পার্কে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার আয়োজন করা হয়। একইসঙ্গে এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারাও সেখানে অবস্থান নেয়। পরে টেম্পল রোডের উদীচীর কার্যালয়ে ভাংচুর করতে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।’

প্রাথমিকভাবে এই ঘটনায় স্থানীয় শিবির, ইনকিলাব মঞ্চ, এনসিপি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো নেতা-কর্মীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

]]>
https://bbangla.net/2025/05/14/%e0%a6%ac%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a1%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%b8%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%a4-%e0%a6%97/feed/ 0
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সহ অসাম্প্রদায়িক চেতনার বই রাখার অভিযোগে পাঠাগার ভাঙচুর ও বই লুটপাট। https://bbangla.net/2025/04/25/%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a5-%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b9-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%be/ https://bbangla.net/2025/04/25/%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a5-%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b9-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%be/#respond Fri, 25 Apr 2025 07:17:47 +0000 https://bbangla.net/?p=2847 ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ধনবাড়ী অভয়ারণ্য পাঠাগার থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ড.জাফর ইকবাল, প্রথম আলো সহ অন্যান্য বইপত্র নিয়ে যায় মব সৃষ্টিকারী ৪০/৫০ জন উশৃংখল কিছু যুবক ।

তাঁদের কথা এসব বই পড়ে ধনবাড়ী অঞ্চলের ছেলে মেয়েরা নাস্তিক হয়ে যাচ্ছে, তাই নাস্তিক তৈরির কারখানা বন্ধ করতে হবে।
তাঁদের কে অভয়ারণ্য পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক দূর্জয় চন্দ্র ঘোষ প্রশ্ন করেন – আপনারা কার অনুমতিতে বই নিতে চান!?… আমি কমিটির কাছে কি জবাব দিবো? প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া আমি বই দিতে পারবোনা, তবুও তাঁরা জোর করে পাঠাগারের সেল্ফ থেকে চার বস্তা বই নিয়ে ভ্যানে করে ধনবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করেন।

পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং ধনবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অভয়ারণ্য পাঠাগারের এসে সরেজমিন তদন্ত করে আগামী শনিবার বিষয় টি মীমাংসা করার নিশ্চয়তা দেন।

]]>
https://bbangla.net/2025/04/25/%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a5-%e0%a6%a0%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b9-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a6%be/feed/ 0
চট্টগ্রাম ডিসি হিলে পহেলা বৈশাখের মঞ্চ ভাঙচুর https://bbangla.net/2025/04/13/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2/ https://bbangla.net/2025/04/13/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2/#respond Sun, 13 Apr 2025 16:53:49 +0000 https://bbangla.net/?p=2763 চট্টগ্রাম নগরের ডিসি হিলে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি করা মঞ্চ, প্যান্ডেল, চেয়ার, ব্যানারসহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আজ রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বেশ কয়েকজন যুবক এসব সরঞ্জাম ভেঙে তছনছ করেন বলে জানান আয়োজকরা।

এদিকে, এ ঘটনার প্রতিবাদে আগামীকালের পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক কর্মীরা।

নগর পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ভাঙচুরের ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিসি হিলে নববর্ষ উদযাপন পরিষদের অন্যতম সংগঠক প্রণব চৌধুরী সমকালকে বলেন, পহেলা বৈশাখের বর্ণাঢ্য আয়োজনকে ঘিরে এখানে মঞ্চ তৈরি করা হয়েছিল। সেইসঙ্গে পুরো ডিসি হিলে প্যান্ডেল তৈরিসহ নানা সাজসজ্জা করা হয়েছিল। তবে আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কয়েকজন যুবক প্রবেশ করে মঞ্চ থেকে শুরু করে সবকিছু ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে। বৈশাখের আগের দিন এমন ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। এটি দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে একটি বড় ধাক্কা। এমন ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন। এর প্রতিবাদে ডিসি হিলে পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক কর্মীরা।

বর্ষবরণের প্রস্তুতির মধ্যেই আজ রোববার ডিসি হিলে ‘সম্মিলিত পহেলা বৈশাখ উদযাপন পরিষদ’ পহেলা বৈশাখের নানা আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে।

পরিষদের সমন্বয়কারী সুচরিত দাশ খোকন বলেন, ‘সন্ধ্যার দিকে ৪০-৫০ যুবক এসে ডিসি হিলে আমাদের অনুষ্ঠান মঞ্চে হামলা চালায়। ভাঙচুর করা হয় প্যান্ডেলসহ মঞ্চের সামনে থাকা বেশকিছু চেয়ার। সোমবার সকাল থেকে এখানে বর্ষবরণ অনুষ্ঠান শুরুর কথা ছিল। তারই পরিপ্রেক্ষিতে মঞ্চ তৈরি থেকে শুরু করে আনুষঙ্গিক সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল। এখন দুর্বৃত্তদের হামলায় সবকিছুই তছনছ হয়ে গেছে। তাই এখানে আর পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

কোতোয়ালি থানার ওসি মো. আবদুল করিম বলেন, ‘মঞ্চ ভাঙচুরের বিষয়টি আমরা শুনেছি। ঘটনাস্থলে আমাদের একটি টিম আছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ডিসি হিলে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আয়োজিত বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উপলক্ষে বর্ষবরণের মঞ্চ ভাঙচুর ও হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র চট্টগ্রাম জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

আজ রাতে সংবাদমাধ্যম পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সংগঠক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আহমদ জসীম বলেন, ‘এই হামলা দেশের অস্তিত্ব ও ঐতিহ্যের জন্য অশনিসংকেত। ঘৃণিত স্বৈরাচার ও মৌলবাদী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করেই এ জাতি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। ডিসি হিলে এ হামলা কেবল অনুষ্ঠান বানচাল নয়, এটা আমাদের বাঙালি সংস্কৃতি, লোকজ সমৃদ্ধ শিল্প এবং অতীতের লড়াইয়ের সকল অর্জনকে ধূলিসাৎ করারই অপচেষ্টা। মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন করে এই অপচেষ্টাগুলোকে আরও উসকে দেওয়া হয়েছে। সরকার মব সংস্কৃতি এবং মাজার ভাঙচুর, বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা, ম্যূরাল ও মোটিফে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনার মতোই ডিসি হিলে এ হামলা মোকাবিলায় ব্যর্থ ও দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে। এই হামলা ও ভাঙচুরের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে সকলের প্রতিবাদ করতে হবে।’

বিজ্ঞপ্তিতে অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে দ্রুত গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানানো হয়।

]]>
https://bbangla.net/2025/04/13/%e0%a6%9a%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae-%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf-%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2/feed/ 0
‘মঙ্গল শোভাযাত্রার’ নাম পরিবর্তন https://bbangla.net/2025/04/11/%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae/ https://bbangla.net/2025/04/11/%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae/#respond Fri, 11 Apr 2025 06:30:47 +0000 https://bbangla.net/?p=2746 বাংলা নববর্ষের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রার’ নাম পরিবর্তন করে রাখা হলো ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে চারুকলা অনুষদের ডিন আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘সকলকে সঙ্গে নিয়ে এবারের শোভাযাত্রা আনন্দময় হবে।’

গত ২৩ মার্চ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘মঙ্গল শোভাযাত্রার’ নাম পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

এ নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে পরদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ উদযাপন সংক্রান্ত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হয়নি।

এরপর বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মধ্যে মঙ্গলবার উপদেষ্টা ফারুকী বলেন, নাম ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ থাকবে, না কি তা পরিবর্তন করা হবে, তা নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। এর আগে তার দেয়া ব্ক্তব্যকে ‘মিস কোট’করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বর্ষবরণের প্রস্তুতিকে ঘিরে একাধিক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেছেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। এ সময় তাকে কৌশলে শোভাযাত্রা বলতে শোনা গেলেও তিনি এড়িয়ে গেছেন ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নামটি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকেও প্রস্তুতির খবর জানাতে সাংবাদিকদের যে আমন্ত্রণপত্র দেওয়া হয়েছে, সেখানেও ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ না লিখে, কেবল ‘শোভাযাত্রার’ কথা লেখা হয়েছিল।

]]>
https://bbangla.net/2025/04/11/%e0%a6%ae%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a6%b2-%e0%a6%b6%e0%a7%8b%e0%a6%ad%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae/feed/ 0
‘এবারের বৈশাখ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’, অভিযোগ চারুকলা শিক্ষার্থীদের https://bbangla.net/2025/03/26/%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%88%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%89/ https://bbangla.net/2025/03/26/%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%88%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%89/#respond Wed, 26 Mar 2025 16:47:41 +0000 https://bbangla.net/?p=2662 ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদের ৭০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এবারের বৈশাখ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বৈশাখ। এ আয়োজনে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের চাটুকারিতাপূর্ণ মনোভাবের কারণে আমরা শিক্ষকদের আয়োজন করা বৈশাখের আনুষ্ঠানিকতা ও শোভাযাত্রা সমর্থন করছি না।’

প্রতিবছর পহেলা বৈশাখ ও মঙ্গল শোভাযাত্রা উদযাপনে সাজসজ্জার দায়িত্ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থীদের ওপর পড়লেও এ বছর সে দায়িত্ব শিক্ষার্থীদেরকে দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বৈশাখ উদযাপন বর্জন করেছেন অনুষদটির অধিকাংশ শিক্ষার্থী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদের ২০১৭-১৮ সেশন তথা চারুকলা অনুষদের ৭০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, এবারের বৈশাখের আয়োজনের সাথে আমাদের কোনও প্রকার সম্পৃক্ততা নেই। মূলত বৈশাখ প্রতিবছর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্দিষ্ট ব্যাচের তত্ত্বাবধায়নে এবং সম্পূর্ণভাবে শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের যৌথ প্রয়াসে আয়োজিত হয়ে থাকে। যে আয়োজনের সম্পূর্ণ অর্থ অনুষদের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের শিল্পকর্ম বিক্রির মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়। চারুকলার রীতি অনুযায়ী যা এ বছর আমাদের ব্যাচের দায়িত্ব হওয়ার কথা ছিল।

“কিন্তু এবারের আয়োজন একেবারেই চারুকলা অনুষদের পূর্বাপর রীতির ব্যতিক্রমীভাবে কোনরকম শিক্ষার্থীদের সম্মতি ও সম্পৃক্ততা ছাড়া শুধুমাত্র শিক্ষকদের সিদ্ধান্তে করা হচ্ছে যা আমাদের বিশ্বাস ও ধারণার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এছাড়া এবার একাডেমিকভাবে বৈশাখ আয়োজন করার এই সিদ্ধান্ত অনুষদে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী, ছাত্র প্রতিনিধি কারও সাথে কোনরকম পূর্ব-আলোচনা ছাড়াই একটি নির্দিষ্ট ছাত্র-শিক্ষক গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততায় খুবই অতর্কিতভাবে নেওয়া হয়েছে।”

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, শোভাযাত্রায় বানানো স্ট্রাকচারের ডিজাইন এবং আইডিয়া সম্পূর্ণ শিক্ষকদের দেওয়া, চারুকলার আপামর সাধারণ শিক্ষার্থীর সাথে কোনোভাবেই সংযুক্ত এবং অবগত না। শহীদ আবু সাঈদের স্ট্রাকচার সম্পর্কেও আমরা অবগত ছিলাম না এবং কারও ব্যক্তিগত মতাদর্শে আঘাত দেওয়ার পক্ষেও না আমরা। এহেন কুরুচিপূর্ণ ও প্রহসনমূলক সিদ্ধান্ত চারুকলার সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে নেওয়া হয়নি এবং চারুকলার সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্তের সাথে ছিল না। অতএব এর জন্য অনলাইনে তৈরি বিরূপ প্রতিক্রিয়ার দায় সমগ্র চারুকলার নয় বরং দায়িত্বে থাকা নির্দিষ্ট কতিপয় আয়োজক এবং ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকদের ওপর বর্তায়।

“আমরা প্রতিবছর চারুকলা অনুষদে আয়োজিত হয়ে আসা বৈশাখের আয়োজন নয় বরং স্বজনপ্রীতিদুষ্ট ও দেশের পরিবর্তনকালীন সময়ে রাজনৈতিক স্বার্থান্বেষী ‘বৈশাখ ১৪৩২’-এর আয়োজন ও আয়োজক কমিটিকে চারুকলার সাধারণ শিক্ষার্থীরা বর্জন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

এ বিষয়ে অনুষদটির প্রাচ্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী সুদীপ্ত বশাক অর্ণব বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আজ আমরা বিবৃতি দিয়েছি। কারণ যেভাবে বরাবরের মতো বৈশাখ হয় সেভাবে হচ্ছে না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপেক্ষা করে তাদের সম্পৃক্ততা ছাড়া করা হয়েছে এই আয়োজন।

অনুষদটির ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী দস্তগীর বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আগে মাস্টার্স শেষ করা শিক্ষার্থীদেরকে দায়িত্ব দেওয়া হতো। তারা চারুকলার সকল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়ে একাধিক কমিটি করে কাজ করতো। কিন্তু এ বছর আমাদেরকে ডাকা হয়নি। এবার আমাদেরকে কিছু না জানিয়েই মঙ্গল শোভাযাত্রার প্রস্তুতি নিয়ে নেওয়া হয়েছে। এবার আমাদের ডিন এবং কিছু ছাত্র প্রতিনিধি যারা আমাদেরকে প্রতিনিধিত্ব করে না তাদের নিয়ে কাজ করা হচ্ছে, আমাদেরকে ডাকা হয়নি। এভাবে আমাদেরকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। চোখের সামনে কাজগুলো হচ্ছে ঠিকই; কিন্তু আমরা কেউ যাচ্ছি না, আমাদেরকে কেউ ডাকছেও না।

“এবার আমাদেরকে কোনও কিছুতেই ডাকা হয়নি মঙ্গল শোভাযাত্রার থিম কী অথবা শোভাযাত্রার এক মাস আগে থেকেই আমাদের একটি লোগো প্রতিযোগিতা হতো সেখানে অনেকেই লোগো জমা দিতো সে ব্যাপারেও আমাদেরকে কোনও কিছু জানানো হয়নি।”

এ ব্যাপারে শোভাযাত্রা কমিটির আহ্বায়ক ও চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক আজাহারুল ইসলাম শেখ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, বর্তমান ছাত্র-শিক্ষক, এলামনাইয়ের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণেই কাজটা হয় এবং অতীতেও হয়েছে। তবে মাঝখানে যেটা হয়েছিল এই আয়োজনের দায়িত্ব একটা ব্যাচকে দিয়ে দেওয়ার কারণে সবাই সেখানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করতে পারেনি। ফলে এগুলোর স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। এ কারণে আমি আমার অনুষদের সকল শিক্ষক-ছাত্রদের নিয়ে তিনটা মিটিং করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আমরা সকল ছাত্র-শিক্ষক ও সাবেক ছাত্র সকলের সমন্বয়ে কাজটি করবো এবং একাডেমিক কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে এটা বিবেচিত হবে।

শিক্ষার্থীদের বয়কটের ব্যাপারে তিনি বলেন, যারা অভিযোগ করছে তাদের মধ্যে আজ পর্যন্ত কেউ এসে বলেনি যে আমরা কাজটা করতে চাই। আমরা এই জায়গাটা সবার জন্য উন্মুক্ত রেখেছি। এখানে যে কেউ এসে কাজ করতে পারবে— সেটা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হলেও। এখানে যৌথভাবে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং সেটা একটা অফিসিয়াল সিদ্ধান্ত। যারা বিবৃতি দিয়েছে তারা অলরেডি পাস করে বেরিয়ে গিয়েছে। তাদের সাথে তো শিক্ষকদের একটা সমন্বয়হীনতা রয়ে গেছে। এছাড়া তারা একবারও এসে বলেনি যে তারা আয়োজনটা করতে চায়।

“এ ধরনের বিবৃতি হয়তো কোনও না কোনোভাবে এক ধরনের অসন্তোষ বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে”, বলে জানান চারুকলা অনুষদের ডিন।

]]>
https://bbangla.net/2025/03/26/%e0%a6%8f%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a8%e0%a7%88%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%89/feed/ 0