সংবাদমাধ্যম দৈনিক ভোরের কাগজের প্রধান কার্যালয় বন্ধের ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২০ জানুয়ারি) মালিবাগে প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয়ের প্রধান ফটকে এসংক্রান্ত নোটিশ টানিয়ে দেওয়া হয়।
নির্বাহী সম্পাদক স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে বলা হয়, ভোরের কাগজ কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ শ্রম আইন-২০০৬-এর ১২ ধারা অনুযায়ী মালিকের নিয়ন্ত্রণবহির্ভূত কারণে প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, যা ২০ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।
১৯৯২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ‘মুক্তচিন্তার দৈনিক’ স্লোগান নিয়ে যাত্রা শপত্রিকার প্রধান কার্যালয় বন্ধের প্রতিবাদে প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান পরিস্থিতি নিয়ে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সংবাদ সম্মেলনের কথা জানান ভোরের কাগজের সাংবাদিকরা। সেখান থেকে তারা পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবেন বলে জানান।
তবে অন্দরে কান পাতলে শোনা যাচ্ছে যে,সরকার এর পছন্দের কিছু লোক এবং ২টি বিশেষ রাজনৈতিক দল সমর্থিত লোকজন কে নিয়োগ দিতে না পারায় এবং ভোরের কাগজ ওর অফিস ও কোম্পানী দখলে নেবার পায়তারা করার লক্ষ্যে একটা গ্রুপ বেতন ভাতা বাড়ানোর নাম করে আন্দোলনের নামে অরাজকতা সৃষ্টি করতেছিল। বিজ্ঞাপন বন্ধ সহ পেশীশক্তির প্রয়োগ করবার চেষ্টাও করছিল। যার দরুন মালিকপক্ষের নিয়ন্ত্রন এর বাইরে চলে যাচ্ছিলো পরিস্থিতি। সে জায়গা থেকে পত্রিকাটি বন্ধ করতে বাধ্য হয় অনেকটাই।
শ্রম আইন ২০০৬ এর ১২ ধারার ‘ক’ উপধারায় বলা হয়েছে, অগ্নিকাণ্ড, আকষ্মিক বিপত্তি, যন্ত্রপাতি বিকল, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ, মহামারী, ব্যাপক দাঙ্গা-হাঙ্গামা অথবা মালিকের নিয়ন্ত্রণ বহির্ভূত অন্য কোনো কারণে প্রয়োজন হইলে, কোনো মালিক যে কোনো সময় তাহার প্রতিষ্ঠানের কোনো শাখা বা শাখাসমূহ আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করিয়া দিতে পারিবেন এবং যে কারণে উক্তরূপ বন্ধের আদেশ দেওয়া হইবে তাহা বিদ্যমান থাকা পর্যন্ত এই বন্ধের আদেশ বহাল রাখিতে পারিবেন। কাজ বন্ধ রাখা
(খ) উপধারায় বলা হয়েছে, যদি উক্তরূপ বন্ধের আদেশ কর্মসময়ের পরে দেওয়া হয়, তাহা হইলে পরবর্তী কর্মসময় শুরু হওয়ার আগে মালিক প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট শাখার নোটিশ বোর্ডে বা কোন প্রকাশ্য স্থানে নোটিশ সাঁটিয়া বা লটকাইয়া দিয়া উক্ত বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকগণকে অবহিত করিবেন।
