রণধীর জয়সোয়াল বলেন, ‘১৯৭১ সালে অপারেশন সার্চলাইটের সময় পাকিস্তান যে ভয়াবহ নৃশংসতা চালিয়েছিল, তা আমরা সবাই জানি। সে সময় লাখ লাখ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা এবং নারীদের ওপর ব্যাপক যৌন সহিংসতা চালানো হয়। ফলে লাখ লাখ মানুষ দেশ ছেড়ে ভারতে শরণার্থী হিসেবে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। এই নৃশংসতা বিশ্ববিবেকের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু পাকিস্তান আজও তাদের এই অপরাধ অস্বীকার করে আসছে। ন্যায়বিচারের লড়াইয়ে আমরা বাংলাদেশের পাশে আছি।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে বহুমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে চায় ভারত।

রণধীর জয়সোয়াল আরও জানান, বাংলাদেশের নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার মাধ্যমে একটি অভিনন্দনপত্র পাঠিয়েছিলেন। সেই চিঠিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভারতের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

জয়সোয়াল বলেন, ‘বাংলাদেশে নতুন সরকার এসেছে। এই সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে আমাদের লোকসভার স্পিকার গিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর মাধ্যমে একটি অভিনন্দনপত্র এবং সম্পর্কের ভবিষ্যৎ রূপরেখা সংবলিত চিঠি পাঠিয়েছেন। দুই দেশের মধ্যে আলোচনা চলমান। আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের বৈচিত্র্যময় সম্পর্ক কেবল বজায় রাখতেই নয়, বরং একে আরও শক্তিশালী ও প্রসারিত করতে চাই।’