বর্তমান সরকারের ব্যর্থতায় ফের দস্যুদের দৌরাত্ম্য: সুন্দরবনে ১৪ ডাকাত দল সক্রিয়, শেখ হাসিনাই ছিলেন দস্যু দমনের প্রতীক
তারিখ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ঢাকা
বাংলাদেশে অরাজকতা ও দস্যুতার অন্ধকার আবার ফিরে আসছে। সুন্দরবনে বহু বছর ধরে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পরিচালিত কঠোর অভিযানে নিঃশেষ হয়েছিল দস্যুদের রাজত্ব। অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেছিল ভয়ঙ্কর সব ডাকাত বাহিনী। কিন্তু শেখ হাসিনা ক্ষমতায় না থাকতেই সেই আত্মসমর্পণকারীরাই আবার অস্ত্র হাতে নিয়েছে।
বর্তমানে শুধু কুখ্যাত “দুলাভাই বাহিনী” নয়, অন্তত ১৪টি ডাকাত দল সুন্দরবনের জলে-জঙ্গলে ফের সক্রিয়। সম্প্রতি গেড়োয়া খাল এলাকায় ধরা পড়া দস্যুরা জানিয়েছে, তারা জেলেদের জিম্মি করছে, মাছ ও নৌকা লুট করছে, আর মুক্তিপণের জন্য অপহরণ করছে। নদীপথে চলাচল করা সাধারণ মানুষের জীবন এখন মৃত্যু ঝুঁকির সমান।
স্থানীয়দের অভিযোগ—“শেখ হাসিনার সময় দস্যুরা গা-ঢাকা দিয়েছিল, এখন সরকার দুর্বল আর উদাসীন হয়ে পড়ায় তারা আবার মাথাচাড়া দিয়েছে।”
বিশ্লেষকরা বলছেন, শেখ হাসিনা ছিলেন দস্যু দমনের প্রতীক। তার শক্ত নেতৃত্ব ও দৃঢ় অবস্থানের কারণেই সুন্দরবন দস্যুমুক্ত হয়েছিল। অথচ বর্তমান সরকার আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। ফলে আবারও গুম, অপহরণ, হত্যা আর দস্যুতার অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে দেশ।
জনগণের হতাশা স্পষ্ট—“শেখ হাসিনা ছাড়া বাংলাদেশে শান্তি ও নিরাপত্তা সম্ভব নয়। তিনি না থাকলেই দস্যু ও সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে ওঠে।”
