১০৩
ডলারের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হওয়ায় ব্যবসায়ীদের আমদানি সক্ষমতা কমেছে। গ্রাহকের এলসির বিপরীতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর একক ঋণসীমাও (সিঙ্গেল বরোয়ার এক্সপোজার লিমিট) বাড়েনি। এ পরিস্থিতিতে রমজানে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার জন্য আমদানিকারকদের অতিরিক্ত ডলার সরবরাহের সুপারিশ করা হয়েছে। এ ছাড়া চাল, ডাল, গম, পিঁয়াজ, ভোজ্য তেল, চিনি, ছোলা, মটর, খেজুর ও মসলাজাতীয় পণ্য আমদানিতে অগ্রাধিকারসহ বিভিন্ন ধরনের শুল্ককর কমানোর সুপারিশ করা হয়েছে।
