কারাগারে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদের মৃত্যু: এটা মৃত্যু নয়, পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড!
ইউনূস সরকারের রক্তচক্র—প্রতিপক্ষকে একে একে নিধন
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আজ নেমে এসেছে শোক ও ক্ষোভের ছায়া। কারাগারে বন্দী সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদের আকস্মিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র বিতর্ক—এটা কি নিছক মৃত্যু, নাকি সরকারের কূটচাল? বিরোধীরা স্পষ্ট বলছে, “এটা মৃত্যু নয়, এটা হত্যাকাণ্ড। আর এর নেপথ্যে রয়েছে ড. ইউনূস।”
প্রতিহিংসার শিকার হয়ে অমানবিক বন্দিত্ব
নূরুল মজিদকে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই মাসের পর মাস কারাগারে আটকে রাখা হয়েছিল। পরিবারের শত অনুরোধেও তাঁকে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হয়নি। অসুস্থ অবস্থায় ধুঁকতে ধুঁকতে অবশেষে তিনি প্রাণ হারালেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা একে বলছেন ‘স্লো কিলিং’—ধাপে ধাপে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া।
ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ
বিরোধী নেতাদের অভিযোগ—ড. ইউনূস প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য একে একে তাদের হত্যা করছে। মিথ্যা মামলা, অমানবিক কারাবাস আর চিকিৎসাহীন মৃত্যুই এখন সরকারের নতুন অস্ত্র। নূরুল মজিদের মৃত্যু তারই এক জঘন্য উদাহরণ।
তাঁদের ভাষায়—
“এটা প্রাকৃতিক মৃত্যু নয়, এটা রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড। হত্যাকারী ইউনূস, আর তাঁকেই এর জবাব দিতে হবে।”
জনগণের ক্ষোভ–অসংখ্য প্রশ্ন
সাধারণ মানুষ আজ ক্ষুব্ধ। তাদের প্রশ্ন—
কেন একজন প্রাক্তন মন্ত্রীর জীবন নিয়ে এমন ভয়ংকর খেলা হলো?
কেন চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হলো?
কেন মৃত্যুর আগে তাঁর স্বাস্থ্যগত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি?
দায় এড়াতে পারবে না সরকার
এই মৃত্যু নিছক ভাগ্য নয়, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড—এমনটাই এখন দেশবাসীর রায়। ইতিহাসে যোগ হলো আরেকটি রক্তাক্ত অধ্যায়। বিরোধীদের স্লোগান এখন রাস্তায় রাস্তায় প্রতিধ্বনিত হচ্ছে, “এটা মৃত্যু নয়, এটা হত্যাকাণ্ড—হত্যার দায় ইউনূসের।”
