ইউনুসের ‘বিদায়ের ক্ষণপর্ব শুরু:
পালানোর ইন্ডিমেনিটি পেতে বিদেশের দরজায় দরজায় ছুটছে এই কুখ্যাত ফ্যাসিস্ট
দেশের অর্থনীতি ধ্বংস, গণতন্ত্র রুদ্ধ, জঙ্গী উত্থান — এখন শুধু পালানোর পথ খুঁজছেন ইউনুস
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশের রাজনীতিতে এখন সবচেয়ে আলোচিত নাম— ড. মুহাম্মদ ইউনুস। একসময় “সামাজিক ব্যবসা”র নামে প্রশংসা কুড়ানো এই নোবেলজয়ী আজ নিজ দেশেই স্বৈরাচার, দুর্নীতি ও জাতীয় বিশ্বাসঘাতকতার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের নামে ক্ষমতা দখল করে তিনি যে ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার’ নয়, বরং নিজস্ব নিরাপত্তা ও বিদেশি প্রভুদের স্বার্থরক্ষা করতে এসেছেন— এখন তা স্পষ্ট হয়ে উঠছে।
বিদেশে ইন্ডিমেনিটি মিশন: ক্ষমতার বিনিময়ে নিরাপত্তা চান ইউনুস
কূটনৈতিক মহলে এখন সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয়— ড. ইউনুসের “বিদায় চুক্তি”। সূত্র জানায়, তিনি সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের কয়েকটি রাষ্ট্রে গোপনে বার্তা পাঠিয়েছেন। সেই বার্তায় তার একটাই দাবি—
> “শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে রাজি আছি, তবে আমার বিরুদ্ধে যেন কোনো মামলা বা বিচার না হয়।”
এই অনুরোধের মাধ্যমে ইউনুস কার্যত স্বীকার করেছেন— তিনি অবৈধ ক্ষমতা দখল, প্রশাসনিক দমন-পীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে জড়িত।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাষায়,
> “ইউনুস এখন এক পরাজিত স্বৈরশাসক, যিনি ক্ষমতা নয়, বাঁচার পথ খুঁজছেন।”
‘আওয়ামী লীগহীন বাংলাদেশ’ স্বপ্নের ভাঙন
ড. ইউনুসের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভুল ছিল— তিনি ভেবেছিলেন, আওয়ামী লীগ ছাড়া বাংলাদেশ শাসন করা সম্ভব।
কিন্তু মাঠে বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। দেশের প্রতিটি জেলায়, প্রতিটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের তৃণমূল কর্মীরা সংগঠিত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।
স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি আবারও প্রমাণ করেছে—
> “বাংলাদেশের মাটিতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কখনও নিভে না।”
বিদেশি মিত্রদের সহায়তায় আওয়ামী লীগকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ করার পরিকল্পনা এখন সম্পূর্ণ ব্যর্থ। বরং তার বিপরীতে জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণা তৈরি হয়েছে ইউনুসের বিরুদ্ধে।
অর্থনীতি ধ্বংসের দায়, বিনিয়োগপলায়ন ও জঙ্গী উত্থান
ইউনুসের শাসনামলে বাংলাদেশের অর্থনীতি আজ চরম সংকটে। ব্যাংক খাতে অস্থিতিশীলতা, ডলার সংকট, বিনিয়োগ হ্রাস ও মুদ্রাস্ফীতির জেরে সাধারণ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনে বিপর্যস্ত।
তার প্রশাসনের দুর্নীতি ও অযোগ্যতা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা নষ্ট করেছে।
আর সবচেয়ে ভয়াবহ দিক— জঙ্গী সংগঠনগুলোর পুনরুত্থান।
ইউনুসের ছত্রচ্ছায়ায় কিছু মৌলবাদী গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে পড়েছে, যা দেশের নিরাপত্তাকে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে ফেলেছে।
আইনশৃঙ্খলার অবনতির কারণে সীমান্ত অঞ্চলেও চোরাচালান ও অস্ত্র বাণিজ্য বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে।
ভেতরে ভেতরে ভাঙছে ইউনুস প্রশাসন
অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে এখন চরম দ্বন্দ্ব। কয়েকজন উপদেষ্টা ইতোমধ্যে পদত্যাগের ইঙ্গিত দিয়েছেন। তারা বলছেন,
> “ড. ইউনুস এক ব্যক্তির সরকারে পরিণত করেছেন পুরো ব্যবস্থাটিকে।”
জনগণের ক্ষোভ, প্রশাসনিক ব্যর্থতা ও আন্তর্জাতিক চাপে ইউনুস এখন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত।
বিশ্বের বিভিন্ন গণমাধ্যমও এখন তার অবৈধ শাসন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের খবর প্রকাশ করছে, যা তার ‘বিশ্বনাগরিক’ ইমেজকে ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে।
ইউনুসের পালানোর ছক
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ড. ইউনুস এখন “বিদায়ের রোডম্যাপ” তৈরি করছেন।
নির্বাচনের আগে বা তার পরপরই তিনি দেশ ছেড়ে কানাডা বা ইউরোপে পালানোর পরিকল্পনা করছেন।
তবে প্রশ্ন হলো—
> “যে মানুষ দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে, জনগণের ওপর দমন চালায়, সে কি এত সহজে দায় এড়িয়ে যেতে পারে?”
জনগণের কণ্ঠ এখন স্পষ্ট—
> “ইউনুস, তোমার সময় শেষ! বাংলাদেশ আর কোনো স্বৈরশাসক চায় না।”
বাংলাদেশের মানুষ এখন জানে— বিদেশিদের আশীর্বাদে বসানো কোনো সরকার টেকে না। ইতিহাস বলছে, যারা জনগণকে উপেক্ষা করে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করেছে, তাদের শেষ হয়েছে করুণ পরিণতিতে।
ড. ইউনুসও সেই পরিণতির দিকেই এগোচ্ছে— এক স্বৈরাচারীর পতনের শেষ অধ্যায় শুরু হয়ে গেছে।
