নওগাঁর ধামইরহাটে হিন্দু যুবক নিতাই দাসের রহস্যজনক মৃত্যু —
সংখ্যালঘুদের ওপর ধারাবাহিক হামলায় বাংলাদেশ, উদ্বেগ বৃদ্ধি
নওগাঁ জেলার ধামইরহাট উপজেলার আড়ানগর ইউনিয়নের সেননগর গ্রামের চকবদন–চকগরিয়া রাস্তায় বুধবার সকালে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন হিন্দু সম্প্রদায়ের যুবক নিতাই দাসের নিথর দেহ। তিনি মুখ থুবড়ে পড়ে ছিলেন, এবং দেহে আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট ছিল।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রাতের কোনো এক সময় তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে রাস্তায় ফেলে রাখা হয়েছে। খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এ ধরনের ঘটনা এখন প্রতিদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে, এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হত্যা, নিপীড়ন ও উচ্ছেদের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তাদের মতে, বর্তমান ইউনুস সরকার এই ধরনের সহিংসতার বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিচ্ছে না, এবং এই সহিংসতার পেছনে সক্রিয় রয়েছে যে চক্র তাকে স্থানীয়রা ‘ইউনুস বাহিনী’ বলে অভিহিত করছেন।
স্থানীয়দের দাবি, এই হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশকে হিন্দুশূন্য করার চূড়ান্ত উদ্দেশ্যের অংশ। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষরা এখন দিনরাত অনিরাপত্তায় জীবন কাটাচ্ছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে, এবং তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। মানবাধিকার কর্মী ও স্থানীয় নেতারা স্বাধীন ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণে তদন্ত দাবি করছেন।
নিতাই দাসের মৃত্যু দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর বৃদ্ধিপ্রাপ্ত সহিংসতা ও অনিরাপত্তার আরেকটি দুঃখজনক উদাহরণ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ঘটনা শুধু বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতাকেই নয়, ভারতের সার্বভৌম নিরাপত্তাকেও হুমকির মুখে ফেলছে।
