৮ মাসে ৩৩৭৫ রেমিট্যান্স যোদ্ধার নিথর দেহ দেশে ফিরেছে: শ্রমবাজার ধসের দায় ইউনুস সরকারের অব্যবস্থাপনা।
০৯ অক্টোবর ২০২৫, ঢাকা
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত আট মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে মোট ৩৩৭৫ জন প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিকের মরদেহ দেশে ফিরেছে। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বছরে সর্বাধিক প্রবাসী মৃত্যুর রেকর্ড। এই ভয়াবহ পরিসংখ্যান শুধু উদ্বেগজনক নয়, বরং রাষ্ট্র, সমাজ ও নাগরিকদের জন্য এক গভীর নৈতিক প্রশ্নও তুলে ধরছে — কেন এই রেমিট্যান্স যোদ্ধারা, যারা দেশের অর্থনীতির হাল ধরেছিলেন রক্ত ও ঘামে, আজ নিথর হয়ে ফিরছেন?
বিশ্লেষকদের মতে, তথাকথিত ইউনুসের অবৈধ সরকারের ক্ষমতা দখলের পর থেকেই বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও শ্রমবাজার নীতিতে মারাত্মক বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। প্রায় প্রতিটি শ্রমবাজারের দেশের সাথেই সম্পর্কের টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। সরকারের অব্যবস্থাপনা, জঙ্গীবাদে অনুপ্রাণিত নীতিনির্ধারণী মনোভাব এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট হওয়ার কারণে প্রবাসী বাংলাদেশিরা এখন নানা দেশে অশ্রদ্ধা, হয়রানি ও সহিংসতার শিকার হচ্ছেন।
ফলে কর্মরত অনেক শ্রমিক মানসিক চাপে, অমানবিক কাজের পরিবেশে কিংবা অপ্রত্যাশিত হামলায় প্রাণ হারাচ্ছেন। বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাসগুলোও বর্তমানে যথাযথ সেবা ও সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ — অভিযোগ উঠছে এমনই।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। কিন্তু এই বিপুল মৃত্যুহার ও শ্রমবাজার সংকট দেশকে এক ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
“রেমিট্যান্স যোদ্ধারা শুধু অর্থনৈতিক অবদান রাখেননি, তারা ছিলেন বাংলাদেশের গর্ব। আজ তাদের মৃত্যুর কারণ জানা রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব,” মন্তব্য করেন এক শ্রম বিশ্লেষক।
বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ সবাই এক দাবি তুলছেন— “অব্যবস্থাপনা ও অযোগ্য নেতৃত্বের অবসান ঘটাও, হটাও ইউনুস।”
