যশোরে চাঁদা না পেয়ে কৃষককে কুপিয়ে জখম — বিএনপি’র সন্ত্রাসী রাজনীতির আরেক জঘন্য দৃষ্টান্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক
যশোরে চাঁদা না দেওয়ায় এক নিরীহ কৃষককে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে বিএনপি-সমর্থিত দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, চাঁদাবাজি ও দখলবাজির মাধ্যমে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ানোই এই চক্রের মূল লক্ষ্য।
ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে যশোর সদর উপজেলার এক গ্রামে। আহত কৃষক এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। পরিবার জানায়, বিএনপি-ঘনিষ্ঠ কয়েকজন নেতা সম্প্রতি তাকে “দলের তহবিলের নামে” মোটা অঙ্কের চাঁদা দিতে বলেন। কৃষক চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শুক্রবার গভীর রাতে তার বাড়িতে হামলা চালানো হয়। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার পিঠ ও হাতে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিএনপি আবারও সেই পুরোনো সহিংস রাজনীতির আশ্রয় নিচ্ছে। রাজনৈতিক মঞ্চে ব্যর্থ হয়ে এখন তারা গ্রামাঞ্চলে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “এইসব বিএনপি কর্মীরা এখন সাধারণ মানুষের রক্তে রাজনীতি করতে চায়। তারা কৃষকের ঘাম নয়, রক্ত চায়।”
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে, দ্রুত তাদের গ্রেফতার অভিযান চলছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই সন্ত্রাসী কার্যকলাপ দেশের গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য ভয়াবহ হুমকি। একটি রাজনৈতিক দল যখন চাঁদা আদায়কে নিয়মে পরিণত করে, তখন জনগণের ভরসা হারানো অবধারিত।
এমন ঘটনাই প্রমাণ করে— বিএনপি এখন রাজনীতি নয়, নৈরাজ্য চর্চার দল।
চাঁদা না দিলে প্রাণনাশ — এই বাস্তবতা প্রমাণ করছে, বিএনপি এখনও সহিংসতার পুরনো মানসিকতা থেকে বের হতে পারেনি। যশোরের এই ঘটনাই তাদের মুখোশ খুলে দিয়েছে আবারও।
