নারীর জন্য সবচেয়ে ভয়ংকর আবাসভূমি
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বাংলাদেশ আজ এক ভয়ংকর বাস্তবতার মুখোমুখি। নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। মানবাধিকার সংগঠন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সংবাদমাধ্যমের পরিসংখ্যানই প্রমাণ করছে—এই দেশ আর নারীর জন্য নিরাপদ নেই।
গত ৯ মাসে বাংলাদেশে ছয় শতাধিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এইচআরএসএস জানিয়েছে, শুধু ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৩৯৭ নারী ও কন্যাশিশু। অপরদিকে পুলিশের তথ্য বলছে, গত আট মাসেই নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় দায়ের হয়েছে ১৫ হাজারের বেশি মামলা। এ এক বিভীষিকাময় চিত্র।
আরো ভয়ংকর তথ্য দিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল চেঞ্জ (আসক): শুধু আট মাসে ৫২৭টি ধর্ষণ, যার মধ্যে ২৬৬ জনই শিশু। অর্থাৎ, ধর্ষণের অর্ধেকের শিকার হচ্ছে অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যাশিশুরা। এ যেন এক জাতিগত লজ্জার নামান্তর।
অবৈধ ক্ষমতা দখলের পর থেকে নারীর নিরাপত্তাহীনতা আরও চরমে পৌঁছেছে। দেশ এখন কার্যত পরিণত হয়েছে এক ধর্ষণ-পূরীতে, যেখানে প্রতিদিন নতুন নতুন নারী ও শিশু নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।
বাংলাদেশে আজ নারীর জন্য সবচেয়ে ভয়ংকর আবাসভূমি তৈরি হয়েছে। অবৈধ সরকারের উদাসীনতা, প্রশাসনের ব্যর্থতা এবং অপরাধীদের প্রশ্রয়ের কারণে নারীরা এখন দিন-রাত আতঙ্কে বসবাস করছে।
বাংলাদেশের রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ, কর্মক্ষেত্র থেকে শুরু করে ঘরবাড়ি পর্যন্ত নারীর জন্য নিরাপদ নয়। ধর্ষণ, নিপীড়ন ও নির্যাতনের এই মহামারী প্রমাণ করছে—বাংলাদেশ এখন বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর অনিরাপদ দেশ নারীদের জন্য।
প্রশ্ন একটাই: এই নারকীয় পরিস্থিতি আর কতদিন চলবে?
