বাগেরহাটে সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিক নিহত।
বাগেরহাট:
বাগেরহাট শহরের হাড়িখালি এলাকায় সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত হয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক হায়াত উদ্দিন (৪২)। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঘটে এই মর্মান্তিক ঘটনা, যা আবারও প্রমাণ করলো—ড. মুহাম্মদ ইউনুসের অপশাসনে দেশে সাংবাদিক হত্যার ঘটনা ক্রমেই বেড়েই চলেছে।
নিহত হায়াত উদ্দিন দৈনিক ভোরের চেতনা পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ছিলেন। তিনি হাড়িখালি এলাকার মৃত নিজাম উদ্দিনের ছেলে। শুধু সাংবাদিকতাই নয়, রাজনৈতিক অঙ্গনেও সক্রিয় ছিলেন তিনি; সম্প্রতি বাগেরহাট পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার সময় একদল দুর্বৃত্ত অতর্কিত হামলা চালায় তার ওপর। গুরুতর আহত অবস্থায় এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
বাগেরহাট মডেল থানার ওসি মাহমুদ-উল-হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। হামলার পেছনে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দোষীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
একজন সাংবাদিক ও রাজনৈতিক কর্মীর এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডে স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ, রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে নেমে এসেছে তীব্র ক্ষোভ। তারা বলছে—ইউনুসের দমননীতি ও ব্যর্থ শাসনই আজ সাংবাদিকদের জীবনকে সবচেয়ে বড় ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। সাংবাদিক হত্যাকে কেউ আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা মনে করছে না; বরং এটি ইউনুস সরকারের “সাংবাদিক দমন প্রক্রিয়ার অংশ” বলেই সাধারণ মানুষ মনে করছে।
বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ও রাজনৈতিক দল দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। একইসাথে তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছে—যদি অবিলম্বে দোষীদের শাস্তি না হয়, তবে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে সাংবাদিক সমাজ।
এ ঘটনায় বাগেরহাট মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
