Saturday, March 7, 2026

মাত্র ৩ মাসে বৈদেশিক ঋণ বেড়ে ৭ বিলিয়ন — সরকারের ‘অপচয়’ ও ইউনুস প্রশাসনের প্রশ্নবিদ্ধ নীতির তীব্র সমালোচনা।

বিবাংলা ডেস্ক
০ মন্তব্য ৩৪৯ views

মাত্র ৩ মাসে বৈদেশিক ঋণ বেড়ে ৭ বিলিয়ন — সরকারের ‘অপচয়’ ও ইউনুস প্রশাসনের প্রশ্নবিদ্ধ নীতির তীব্র সমালোচনা

ঢাকা, ৫ অক্টোবর ২০২৫ — সুপ্রতিষ্ঠিত আর্থিক হিসাব বলছে, মাত্র মার্চের শেষ থেকে জুনের শেষ পর্যন্ত দেশের বহির্বিশ্ব থেকে নেয়া ঋণ প্রায় ৭.৩৫ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে — একটি ভীতিকর ইঙ্গিত যে বাংলাদেশের বাইরে থেকে ধার নেওয়ার গতি হঠাৎ করে বাড়ছে। এই ঋণবৃদ্ধি নিয়ে অর্থনীতিবিদরা ও সমালোচকরা সতর্কবার্তা দিলেও সরকার তা লঘু করার চেষ্টাও করছে না।

ঋণের খবরই শুধু নয় — ভবিষ্যৎ ঝুঁকি
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই হুইপল্যাশ-ধাঁচের ঋণগ্রহণ যদি অব্যাহত থাকে, তা স্বল্প মেয়াদী মুদ্রাস্ফীতি, বাজেট ঘাটতি ও বৈদেশিক মুদ্রার চাপ বাড়াবে — যার ফলেই দেশের নীতি নির্ধারণে স্বাধীনতা সংকুচিত হবে এবং জনগণের ভোগান্তি বেড়ে যাবে। আন্তর্জাতিক কাগজপত্রও দেখাচ্ছে—বহুমাত্রিক ঋণগ্রহণ দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিতে পারে।

কেন হঠাৎ এত বড় পরিমাণে ধার?

সরকারি ব্যাখ্যা আছে বলে ঠিকই, কিন্তু প্রশ্ন হল—ঋণের যে বড় অংশ নেওয়া হয়েছে, তা কি দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য নাকি চলতি ব্যয়ের চাপ মেটাতে শর্ট-টার্ম ব্যালান্সিংয়ের জন্য? যদি পরে দেখা যায় এসব ঋণ ব্যবহার হয়েছে অনিয়ন্ত্রিত ব্যয়ে বা রাজনীতিকভাবে বিতর্কিত প্রকল্পে, তাহলে এজন্য টাকার বোঝা বহন করতে হবে সাধারণ জনগণকে।

ইউনুস প্রশাসনের নীতি ও অপব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্দেহ

একাধিক বিশ্লেষক ও বিরোধী রাজনীতিকদের বক্তব্য — বর্তমান প্রশাসনের অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতার অভাব ও দ্রুত-ঋণ গ্রহণের প্রবণতা চিন্তার কারণ। কিছু সমালোচক বলেন, নীতিগত ত্রুটি থাকলে এসব সিদ্ধান্ত দেশের দীর্ঘমেয়াদি মঙ্গলের বিপরীত কাজ করবে এবং জনগণের আয়ের উপর চাপ বাড়াবে। নভেল পরিস্থিতিতে যে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সংকট দেখা দিচ্ছে, তাতে অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তগুলি আরও ভঙ্গুর হয়ে পড়ছে।

মানবিক ও কূটনৈতিক চাপও বাড়ছে

ঋণবৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের উপর রোহিঙ্গা শিবির এবং আশ্রয়-সংক্রান্ত ব্যয়ও বড় চাপ তৈরি করেছে—এগুলোই কেবল আর্থিক দায় নয়, কূটনৈতিক ও সামাজিক বিবাদও বাড়ায়। সরকারের বাইরে থেকে সংগৃহীত ঋণ যদি এসব দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যয়ের কারণ হয়, তা ভবিষ্যতে বহুমাত্রিক অসুবিধার জন্ম দিতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের দাবি — স্বচ্ছতা, তৎপর তদন্ত ও নীতি সংস্কার

অর্থনীতিবিদদের মৌলিক দাবি:

ঋণ গ্রহণের পুরো হিসাব প্রকাশ করতে হবে; কোন প্রকল্পে, কতো শর্তে ও কীভাবে তহবিল ব্যবহার করা হলো তা মানবদেহের মতো খোলসা করতে হবে।

আন্তর্জাতিক ধারগ্রহীতা ও আইএমএফের সাথে হওয়া চুক্তিসহ সব শর্তশীলতা জনগণের জানার অধিকার।

যদি কোনো অনিয়ম, স্বার্থান্বেষী চুক্তি বা অবশিষ্ট দায় বিদ্যমান থাকে, তাহলে এক নির্বিশেষ ও স্বতন্ত্র তদন্ত প্রয়োজন।

একটি জাতির অর্থনীতি কেবল সংখ্যার খেলাই নয়—এটি মানুষের কর্মসংস্থান, খাদ্য- নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুযোগ-সুবিধার প্রতিফলন। যে নেতৃত্ব দেশের জন্য ধার নেয়, তাদের সিদ্ধান্ত জনগণের জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলে। তাই আজকের ঋণবৃদ্ধি কেবল আর্থিক সূচক নয় — এটি একটি সতর্কবার্তা: নীতিনির্ধারণে স্বচ্ছতা না থাকলে দেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থই ক্ষুণ্ণ হতে পারে। জনগণের আস্থা ও দেশের দূরদর্শী নীতি পুনরুদ্ধারের জন্য এখনই জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও স্বাধীন তদন্তের দাবি উত্থাপন করা আবশ্যক।
৩ মাসে ৭ বিলিয়ন ডলারের বেশী বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে।
ইউনুসের অবৈধ দু:শাসন আর সেই দু:শাসনে বাংলাদেশ ধ্বংসের দিকে যাচ্ছে। এখনই বাংলাদেশকে বাঁচাতে ইউনুসকে বাংলার মসনদ থেকে উৎখাত করতেই হবে। নইলে বাংলাদেশের আসন্ন পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক।

আরো পড়ুন

একটি মন্তব্য লিখুন

আমাদের সম্পর্কে

বাঙালীর সংবাদ বাংলা ভাষায়, সবার আগে সেরা সংবাদ পেতে বি-বাংলা ভিজিট করুন।

আজকের সর্বাধিক পঠিত

নিউজলেটার