ধ্বস নামছে অর্থনীতিতে: এক বছরে ১৮২টি পোশাক কারখানা বন্ধ
নিজস্ব প্রতিবেদক:
ঢাকা:
দেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের খাত তৈরি পোশাক শিল্প ভয়াবহ সংকটে। অবৈধ ক্ষমতা দখলের পর থেকেই একের পর এক কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মাত্র এক বছরে ১৮২টি পোশাক কারখানা তাদের উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে।
শিল্প মালিকরা বলছেন, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, আইনশৃঙ্খলার অবনতি, বিদেশি অর্ডার হ্রাস, এবং সরকারের অব্যবস্থাপনাই এ সংকটের মূল কারণ। শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তা দিন দিন বাড়ছে—কারণ এই খাতে কর্মরত কয়েক লাখ শ্রমিক এখন বেকারত্বের মুখে।
একজন মালিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সরকার এখন কেবল দমন-পীড়নের রাজনীতি নিয়েই ব্যস্ত। ব্যবসা, বিনিয়োগ, রপ্তানি—সব কিছু ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।”
অর্থনীতিবিদরাও বলছেন, রাজনৈতিক বৈধতা না থাকলে অর্থনীতি টেকে না। বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশের পরিস্থিতিকে এখন অবিশ্বস্ত ও অস্থিতিশীল বলে বিবেচনা করছেন।
এক সময় যে পোশাক খাত ছিল বাংলাদেশের গর্ব, সেই খাত এখন ধ্বংসের মুখে—অবৈধ শাসনের নিষ্ঠুর বাস্তবতায়।
দেশের রফতানি আয়ের শিরা-উপশিরায় এখন অস্থিরতা, ভয় ও অনিশ্চয়তা।
বাংলাদেশ আজ প্রশ্নের মুখে—
এটাই কি সেই “নতুন বাংলাদেশ”, যেখানে শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই কারখানার দরজা বন্ধ হয়ে যায়?
